দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে স্বামী কতৃক তার স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টার সময় স্ত্রীর বড় বোন এগিয়ে আসলে তাকে উপুর্যপুরি ছুরিকাঘাত করলে ঘটনাস্থলেই স্ত্রীর বড়বোন এক সন্তানের জননী মুন্নী আকতারের(৩৫) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

স্ত্রী গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে দ্রুত চিরিরবন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে দুপুর আনুমানিক ৩ টায় উপজেলা চত্তরের পশ্চিম পার্শ্বে সীমানা প্রাচির লাগানো অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার তাজিম উদ্দিনের বাসায়।

প্রত্যক্ষদর্শিসুত্রে জানা গেছে, চিরিরবন্দর সেটেলম্যান অফিসের কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বকুলের ভাড়া বাসায় তার শ্যালিকা সোনিয়া আকতার (৩০) বেশ কিছুদিন যাবত অবস্থান করছিল।

দুপুর আনুমানিক ৩ টার সময় চিৎকার শুনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন পালিয়ে যায় ও সোনিয়ার স্বামী (নাম পাওয়া যায়নি) পালানোর সময় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে।

এরপর বাসার ভিতরে গোঙ্গানীর শব্দ শুনে ভিতরে প্রবেশ করলে দুই বোনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত চিরিরবন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় জনতা আহত অবস্থায় সোনিয়ার স্বামীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত সোনিয়া আকতার কাগজে লিখে জানায়, তার স্বামী তাকে হত্যার চেষ্টা করলে বড়বোন তাকে বাচাতে এগিয়ে আসলে তার স্বামীসহ অন্য একজন এ বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ হারেসুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জেনে ব্রিফিং করা হবে।

পুলিশ নিহত মুন্নী আকতারের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য দিমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। অপরদিকে আটককৃত স্বামীর বাড়ি কুমিল্লায় বলে জানা গেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য