নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ৩ নং ওর্য়াডের খগার চরে নির্মাণ করা হয় একটি ফুটব্রিজ। নির্মাণের ১ বছর যেতে না যেতেই ব্রিজটি কয়েক টুকরো হয়ে ভেঙ্গে পড়ে। এতে চলাচলে চরম বিরম্বনায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের প্রতিনিয়ত।

জানা যায়, উপজেলায় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বে-সরকারী সংস্থা পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের বাস্তবায়নে ও অক্সফামের অর্থায়নে ব্রিজটি নির্মিত হয়। যা মাত্র ১ বছরের মধ্যেই এখন আর এ ব্রিজটি মানুষের কোন কাজেই আসছে না। বরং ফাঁস হয়ে গলায় গেথে গেছে। এ ব্রিজটি পূর্ন নির্মাণ করা না হলে এ অঞ্চলের মানুষের জনের ভোগান্তির সীমা থাকবে না আসন্ন বর্ষা মৌসুমে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটি নির্মাণের ১ বছরের মধ্যেই ৭/৮ টি খন্ডে ভেঁঙ্গে পরে নির্মাণকৃত ব্রিজটি। ফলে উক্ত ইউনিয়নের ঝাড়শিংহের চর ও কালীগঞ্জ গ্রামের প্রায় ১০/১২ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে উক্ত গ্রামের মানুষজন অভিযোগ করে বলেন,এই ব্রিজটি নির্মাণের সময় আমরা বুঝতে পারি ব্রিজের কাজ ভালো হচ্ছে না। একেবারেই নিম্নমানের কাজ কারা হয়েছিলো। সে সময়ে নির্মাণ কাজে আমরা এলাকাবাসী বাধা দিলেও তা এনজিও কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত না করেই কোন মতে নির্মাণ করেন এই ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজটি।

এলাকাবাসীর কোন কোথাই না শুনে ব্রিজটি নির্মাণ করে দায় সারেন এনজিও কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন ব্রিজটি নির্মাণে ৬ মাসেও ব্যবহার করতে পারেনি এলাকাবাসী। সামনের বর্ষায় চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে এলাকাবাসীকে।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, ব্রিজটি নির্মাণের সময় ইউপি’র তহবিল থেকে ২ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছিলো। আর পল্লীশ্রীর মাধ্যমে অক্সফাম অর্থায়ন করেছে ১০লাখ ৭’শ ১৩ টাকা। ব্রিজটি নির্মাণের খুব অল্প সময়ে ভেঁঙ্গে পড়ার কারন জানতে চেয়ে পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের ডিমলা উপজেলা সম্বনয়কারী পুরাণ চন্দ্র বর্মনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।

এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত ভেঙ্গে পড়া ফুটব্রিজটি পূর্ণ নির্মাণ করা না হলে এলাকাবাসী এই পথে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়বে। ব্রিজটি পূর্ন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট এনজিও সহ সরকারের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য