কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ কাহারোলে অপহরণ মামলার আসামী গ্রেপ্তার। জানা যায়, কাহারোল উপজেলার ৪নং তাড়গাঁও ইউনিয়নের পানিগাঁও গ্রামের মৃত আঃ গফুরের ছেলে মোঃ সোহাগ হোসেন পার্শ্ববতী বাড়ির কৌশল রায়ের মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী(১৬) [ প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় নাম গোপন রাখা হলো] কে দীর্ঘদিন যাবৎ স্কুলে যাতায়াত করা কালীন প্রায় প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসত।

কিন্তু ছাত্রী(১৬) সোহাগের প্রেমের প্রস্তাবে রাজী না হইলে গত ২৩ জানুয়ারী/১৮ রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় সাথী রানী রায় প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাইরে গেলে আচমকা সোহাগ হোসেন ও তার সহযোগী সহ তার মুখ চেপে ধরে অটো চার্জারে তুলে নিয়ে চলে যায়।

কিছুক্ষন পর ছাত্রীর বাবা কৌশল রায় তার মেয়ে ফিরতে দেরি হওয়ায় বাইরে এসে খোজাখুজি করেন। খোজাখুজি করে কোথাও না পেয়ে পরের দিন কাহারোল থানায় এসে সোহাগ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে কাহারোল থানার এস,আই মোঃ মহিদুলের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ ২৫ জানুয়ারী ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মালঞ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে আসামী সোহাগ হোসেন (২১), তার সহযোগী মোঃ সেলিম (২৫) ও অপহৃত ছাত্রীকে অটো চার্জার সহ উদ্ধার করে কাহারোল থানায় নিয়ে আসেন।

এব্যাপারে কাহারোল থানায় ছাত্রীর বাবা বাদী হইয়া ১। মোঃ সোহাগ হোসেন (২১), পিতা-মৃতঃ আঃ গফুর, সাং- পানিগাঁও, উপজেলা- কাহারোল, ২। মোঃ সেলিম রহমান (২৫), পিতা-মোঃ মসলেম উদ্দীন, উপজেলা- বিরল, ৩। রঘুনাথ রায় (৩০), পিতা-মৃতঃ ধরনী কান্ত রায়, ৪। মোঃ শাহিনুর (৩৫), ৫। মোঃ শামিম রেজা (৪২), উভয় পিতা-মৃতঃ আঃ গফুর, সর্ব সাং- পানিগাঁও, উপজেলা- কাহারোল, জেলা- দিনাজপুর।

এদের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সং/০৩) আইনের ৭/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১১, তারিখ- ২৫-০১-২০১৮ইং। ২৬ জানুয়ারী আসামীদ্বয়কে জেলা জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং ভিকটিম ছাত্রীকে ২৭ জানুয়ারী ডাক্তারী পরীক্ষা করার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য