বীরগঞ্জের নোখাপাড়া খানসামা-বীরগঞ্জ সড়কের পার্শ্বে বিস্তৃত সরিষা ক্ষেতের হলুদ ফুলের মাঠের পার্শ্বে কাঠের বাক্স স্থাপন করে মৌমাছির মাধ্যমে মধু উৎপাদন করে বাজারজাত করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কল্যাণীর মোশারফ হোসেন, ইউসুফ আলী ও কুড়িগ্রামের মেহেরুল ইসলাম।

মেহেরুল কুড়িগ্রাম থেকে কল্যাণীতে এসে মোশারফের সাথে মধু চাষে কাজ করছেন। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া এবং ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকার ফলে মৌ চাষীদের মধু সংগ্রহে কিছুটা ব্যহত হচ্ছে বলে জানান।

মধু চাষী মোশারফ জানান, আমরা এই মাঠে ১২০টি বাক্স স্থাপন করেছি যা প্রতি বাক্সে সপ্তাহে ৭ কেজি হারে মধু সংগ্রহ করে থাকি। এতে প্রতি সপ্তাহে আমাদের প্রায় ৮৪০ কেজি মধু সংগ্রহ করে ৩শত টাকা কেজি দরে বাজারজাত করি।

তিনি আরও জানান, এপিস মেলিফেরা নামক মৌমাছির জাতের রাণী মাছি সংগ্রহের মাধ্যমে এ মৌ-চাষ করে থাকি। এ জাতের মৌমাছি দৈনিক এক থেকে দেড় হাজার ডিম দিয়ে বংশ বৃদ্ধি করে থাকেু।

চাষীরা জানান, পৃথিবীতে ৬ প্রজাতির মৌমাছির জাতের মধ্যে বাংলাদেশে চার প্রজাতির মৌমাছি দেখা যায়। এ বিষয়ে পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলেন, মধু পরিপাকে সহায়তা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিসহ সকল প্রকার জটিল রোগ নিরাময় করে থাকে।

অতীত কাল থেকে মধু বহু রোগের প্রতিশোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। আগামীতে মধু চাষের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য