দক্ষিণ কোরিয়ার মিরিয়াং শহরের একটি হাসপাতাল ও নার্সিং হোমে অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জন মারা গেছে। দগ্ধ হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক। গত এক দশকে দেশটিতে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।

ছয়তলা ভবনে হাসপাতালের পাশাপাশি নার্সিং হোমও ছিল। দু’টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে নাসিং হোমের লোকজনও রয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় দমকল সংস্থা ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে আহত লোকজনের মধ্যে ১৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৬১ জন সামান্য আহত হয়েছে।

নিহত মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এ সংস্থার এক কর্মকর্তা। ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সির প্রধান চোই ম্যানউ বলেন, ‘দুজন নার্স বলেছেন তারা হঠাৎ করে হাসপাতালের জরুরি কক্ষে আগুন জ্বলতে দেখেন।’

ছয়তলা ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডের সময় অন্তত দুইশ’ জন ছিলেন। এই অগ্নিকাণ্ডের হতাহত ব্যক্তিদের ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন শোক প্রকাশ করেছেন। অগ্নিকাণ্ডের পরই জরুরি বৈঠক ডাকেন প্রেসিডেন্ট।

এক মাস আগেও দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ব্যায়ামাগারে অগ্নিকাণ্ডে ২৯ জন নিহত হয়। গত মাসের অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের কারণ তদন্তে জানা গেছে, ব্যায়ামাগারে জরুরি অবস্থায় বেরিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত পথ ছিল না।

এছাড়া সেখানে আগুনের ভয়াবহতা বাড়িয়ে দেয়ার মতো কিছু উপাদান রাখা ছিল এবং পার্কিংয়ে অবৈধভাবে গাড়ি রাখার কারণে উদ্ধার তৎপরতা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য