নীলফামারী সংবাদাতাঃ নীলফামারীর ডিমলায় যাদুকরি এক গাছের পাতায় ডায়াবেটিসের ঔষধ আবিস্কার করেছে এক ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী। মাত্র কয়েক সপ্তাহ সেবনে যাদুর মত নিয়ন্ত্রনে আসবে ডায়াবেটিস। ওই গাছের পাতার তৈরী ঔষধ সারা জাগিয়েছে দেশ বিদেশে।

উপজেলা সদরের আলম ফিলিং ষ্টেশনের ১০০ গজ পশ্চিমে মৃত তাইজুদ্দিনের ছেলে ডায়াবেটিস রোগি মোজাম্মেল হক সর্দার(৪৫) আবিস্কার করেছেন এই যাদুকরি গাছের পাতার এই যাদুকরি ঔষধ। ৫ বংসর তিনি নিজেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী ছিলেন। এবং দেশের অনেক নামী দামী ডাক্তারের চিকিৎসা নিয়েছে কিন্তু ডায়াবেটিস নির্মূল করতে পারিনি কোন ডাক্তার।

ডাক্তারী ঔষধ খেয়ে মাত্রা কিছুটা কমলেও ঔষধ খাওয়া বন্ধ করলেই তা আবার বেড়ে যায়। তিনি বলেন, আমি নিজেই বিভিন্ন গাছের মূল কান্ড পাতার রস সেবন করে এই যাদুকরি গাছের পাতার সন্ধান পেয়েছি। বর্তমানে আমার ডায়াবেটিস একেবারেই নির্মূল হয়েছে এবং নিয়ন্ত্রনে আছে। আমি সুস্থ্য হওয়ার পর হতে কয়েক জন ডায়াবেটিস রোগিকে সেই গাছের পাতার রস দিয়েছি ঔষধ হিসেবে এবং তারা সেই পাতার রস খেয়ে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়েছে।

ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের মতিয়ার রহমানের পুত্র গোলাম রব্বানী, দিনাজপুর চিরির বন্দর উপজেলার মহসিনের স্ত্রী আণোয়ারা বেগম, টাংগাইল মির্জাপুর উপজেলার সাহাজাহান আলীর পুত্র শাহাদৎ হোসন, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাড়ার গাও গ্রামের ফরিদ মিয়ার পুত্র রাজু(৩৫) ও একই এলাকার মৃত হাজ্বী ইসরাক আলীর পুত্র লন্ডন প্রবাসী আবুল হেসেনসহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন জেলার ডায়াবেটিস রোগীরা সর্দারের তৈরী গাছের পাতার রস খেয়ে ডায়াবেটিস রোগ হতে মুক্তি পেয়েছে।

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্দা উপজেলার দক্ষিন গুড্ডিমারী গ্রামের এম,এ,সোবহান আলীর পুত্র রংপুর কারমাইকেল কলেজের অনার্স পড়–য়া ছাত্র কায়সার আহম্মেদ সৈকত ১৫ বছর যাবত ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন এবং নিয়মিত ডায়াবেটিস স্পেশালিষ্ট ডাক্তারের তথ্যাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তার ডায়াবেটিসের মাত্রা মাঝে মধ্যেই বেড়ে ১শ ৫-৭ পয়েন্টে আসে। ডাক্তারী চিকিৎসা করছেন ১৫ বৎসর যাবত। তিনি মোজাম্মেল হক সর্দারের ঔষধ একাধারে ২ মাস সেবন করে এখন পুরোপুরি সুস্থ্য রয়েছেন। বর্তমানে তার ডায়াবেটিসের মাত্রা খাওয়ার পূর্বে ৬,খাওয়ার পরে ৮ মাত্রায় রয়েছে। এবং মাত্রারিক্ত ডায়াবেটিসের কারনে তার আরোকিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিলো তা একেবারেই নির্মূল হয়েগেছে সৈকত এখন পুরোপুরি সুস্থ্য। সুনামগঞ্জের রাজু মিয়া বলেন,আমার বাবার ডায়াবেটিস ছিল মাত্রাতিরক্ত নিজাম সর্দারের পাতার তৈরী ঔষধ খেয়ে তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ্য। এবং শুধু ডায়াবেটিস নয় ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কয়েকটি জটিল রোগ নিয়ন্ত্রন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগীরা।

সর্দারের তৈরী গাছের পাতার ডায়াবেটিসের ঔষধ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সারা জাগার কারনে প্রতিদিন ভোরবেলা হতে তার বাড়ীতে দেশের বিভিন্ন এলাকার শত শত রোগী সহ রোগীর লোকজনের সমাগম ঘটে এবং দিনদিন এই সমাগম বেড়েই চলছে।

মোজাম্মেল হক বলেন, আমি বাস্তবে কোন কবিরাজ নই। আমি নিজেই একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগি ছিলাম। বিভিন্ন গাছ নিয়ে গবেষনার করে কোন প্রকার প¦ার্শ প্রতিক্রিয়াহীন এই ঔষধ তৈরী করি। নিজে সুস্থ্য হয়েছি এবং এলাকার কিছু রোগিদের চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ্য করতে পেরেছি। এ খবর বিভিন্ন জনের কাছে পৌছার কারনে বিভিন্ন এলাকা হতে ডায়াবেটিস রোগীরা আমার চিকিৎসা নিতে ছুটে আসে।

যতদিন বেচে থাকি আমি মানুষের উপকারের স্বার্থে নিজেকে নিয়োজিত রাখতাম। কিন্তু আইনগত সনদ না থাকায় চিকিৎসা সেবা বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকারীভাবে চিকিৎসা সনদ ও ঔষধ প্রস্তুত কারক সংস্থার মাধ্যমে সহযোগিতা পেলে আমি আমার চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যেতাম। আর সেজন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি। আমার চিকিৎসার সারা জাগায় বিভিন্ন ডিগ্রীধারী ডাক্তাররা আমাকে হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

আমি ঔষধ দেয়ার বিনিময়ে দাবী করে কারো নিকট ঔষধের বিনিমযে কোন টাকা গ্রহন করিনা। তবে শত শত রোগীর চিকিৎসার জন্য গাছের পাতা ও অন্যান্য মূল সংগ্রহ করতে আমি কয়েকজন লোককে ওই কাজে ব্যবহার করি। তাদের প্রতিদিন শ্রমের মুল্য দিতে হয়। সেই কারনে ঔষধের বিনিময়ে খরচ বাবদ কিছু অর্থ চেয়ে নেই। আর যদি কেউ সুস্থ্য হয়ে উপকার পেয়ে নিজ ইচ্ছায় খুশি করে কিছু দেয় আমি তা গ্রহন করি। আমি অন্য ব্যবসা করি ব্যবসা আমার মূল পেশা। সর্দারের সাথে যোগাযোগের মোবাইল ফোন নম্বর ০১৭১৩৭১৩৪০৪,০১৭৪৪৬৪০২৭৪।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য