যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকান সীমান্তে শরণার্থীদের পানি দেওয়ার অভিযোগে আটজন মানবাধিকার কর্মীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির সীমান্ত টহল পুলিশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এর এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ আরিজোয়ানার মরুভূমি সংলগ্ন সীমান্তে শরণার্থীদের সহায়তা করছিলেন ওই ত্রাণকর্মীরা। সেখানে তাপমাত্রা এতই প্রখর যে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে আরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষকও ছিলেন। তারা এখন জরিমানাসহ বেশ কিছু শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্মী স্কট ওয়ারেনকেও শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।

নো মোর ডেথস নামে ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি আইনজীবী মার্গো কোওয়ান বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি খুবই লজ্জার। যুক্তরাষ্ট্রের থামা উচিত। নতুবা একটা সময় কয়েকজন বলবেন যে এই কাজ করার আর প্রয়োজন নেই।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, টহল পুলিশরা পানির গ্যালন ফেলে দিচ্ছে। কাবেজা পিয়েতা ন্যাশনাল ওয়াইল্ডলাইফ রিফিউজ নামের ওই ৮ লাখ ৩ হাজার একর এলাকাকে ‘ডেভিলস হাইওয়ে’ বলা হয়। গত ২০ বছর ধরে সেখানে বসবাস করা খুবই কঠিন হয়ে আসছে।

সেখানে পানির কোনও প্রাকৃতিক ‍উৎস নেই। গরমের সময় সেখানে তাপমাত্রা ১২০ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরোপের পর শরণার্থীদের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, টহল পুলিশ আগে তাদের পানি দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলো। কিন্তু এখন আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তারা জানায়, ত্রাণ কার্যক্রমেও হস্তক্ষেপ করছে পুলিশ। যেটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য