নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো: একরামুল হকের বিরুদ্ধে পরিষদের ১১ জন সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব এনে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছে। মঙ্গলবার নিদিষ্ট ছয়টি অভিযোগের একটি পত্র হতে তা নিশ্চিত হওয়া যায়।

অভিযোগপত্র সুত্রে জানা গেছে, হাটের ইজারার দুই লক্ষ টাকা ও গনশৌচাগার নির্মাণ না করে চেয়ারম্যান টাকা আত্মস্বাৎ করেন। কাবিটা ও সোলার বিতরনের টাকা, ইউনিয়ন পরিষদের পশু বিক্রির রশিদ ভারতীয় গরু চোরাকারবারীদের কাছে গোপনে বিক্রি, ধান ও গম বিতরনের স্লিপ প্রকৃত কৃষকদের না দিয়ে কালোবাজারে বিক্রি, গরীব শীতার্তদের কম্বল বিতরন না করে নিজের কাছে রেখে দেয় ও ইউনিয়ন পরিষদের ভিতরে নিজে ও তার মাদকাসক্ত বন্ধুদের নিয়ে মাদকে আখড়া বসানো হয়।

ভোগডাবুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো: একরামুল হক তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বিকার করেন বলেন, ইউনিয়নের গরীব শীতার্তদের মাঝে বিতরনের জন্য উপজেলা পরিষদ হতে পাওয়া প্রথম দফায় চার শত কম্বলের মধ্যে প্রতি ইউপি সদস্যকে ১৭টি করে দেওয়া হয়েছিল। পরের দফায় একশ’টি কম্বল ইউপি সদস্যদের না দিয়ে প্রকাশ্যে বিতরণের জন্যই আমার বিরুদ্ধে তারা বানোয়াট অভিযোগ করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য