বীরগঞ্জঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ২০ জানুয়ারী হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার এসাসিয়েশনের কেন্দ্রীয় ঘোষিত ২০, ২১ ও ২২ জানুয়ারী টানা ৩ দিনের অবস্থান ধর্মঘট কর্মসুচী পালনের অংশ হিসেবে চাকুরী রাজস্ব করনের এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় চত্বরে শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার এসাসিয়েশনের চাকুরী রাজস্ব করনের এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়।

বাংলাদেশ হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার এসাসিয়েশনের উপজেলা সভাপতি মোঃ আল সাউদের সভাপতিত্বে চাকুরী রাজস্ব করনের এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালনকালে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক ফারজানা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছাঃ তামিম আরা, কোষাধক্ষ মোছাঃ রোকসানা সবনম, সাবেক সভাপতি খাইরুল ইসলাম, সাবেক সাধারন সম্পাদক কালিদাস সরকার, লাবন সরকার সহ অন্য সিএইচসিপি গন।

বক্তাগন অবিলম্বে চাকুরী রাজস্ব করনের এক দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘটের দাবি মেনে নিয়ে চাকুরী রাজস্ব করনের ঘোষনা দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

ফুলবাড়ীঃ চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে তিনদিনের অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত হেলথ্ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি)।

উপজেলার ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারা গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি শুরু করে। কর্মসূচি চলাকালে দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শাখা হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জয় কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম।

উপজেলা শাখা হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জয় কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ২২জন হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) পদে কর্মরত থেকে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছেন।

২০১৩সালে তাদের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক কারণে সেই উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। তাদের চাকরি জাতীয়করণ করার উদ্যোগ না নেওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে তিনদিনের অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) আন্দোলন করলেও ক্লিনিকগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের কোন সমস্যা হবে না। পূর্ব থেকেই বিকল্প হিসেবে স্বাস্থ্য সহকারির ও এফডাব্লিউদেরকে সেখানে নিয়োজিত করে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য