সিরিয়ার সীমান্তবর্তী আফরিন শহরে শুক্রবার কুর্দি বিদ্রোহীদের ওপর হামলা চালিয়েছে তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনী। আঙ্কারা বলছে, শহরটিকে সন্ত্রাসীদের করিডোর হিসেবে ব্যবহৃত হতে দেবে না তুরস্ক। আর তা নিশ্চিত করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

শনিবার তুর্কি বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিরিয়ার আফরিন শহরে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তুর্কি সেনারা।

এর আগে তুরস্কে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে)-এর নেতৃত্বে সিরিয়ায় বাহিনী গড়ে তোলার মার্কিন পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। রাজধানী আঙ্কারায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কুর্দিদের দখলে থাকা সিরিয়ার আফরিন ও মানবিজ এলাকায় তুর্কি সামরিক বাহিনী যত দ্রুত সম্ভব সমাধানে পৌঁছাবে। আমাদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত।

সিরিয়ার তুরস্ক সীমান্তবর্তী এলাকায় কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ে শক্তিশালী সীমান্তরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলার মার্কিন পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে দেশটিতে অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেয় আঙ্কারা। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আইএস বিরোধী জোট বলছে, কুর্দি সমর্থিত এসডিএফের ৩০ হাজার সদস্য নিয়ে ওই বাহিনী গঠন করা হবে।

সিরিয়ার মার্কিনপন্থী বিদ্রোহীদের জোট এই এসডিএফ। এ জোটের প্রধান শক্তি সশস্ত্র কুর্দি সমর্থিত যোদ্ধারা। ১৯৮৪ সাল থেকে তারা তুরস্কের কুর্দি অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসনের দাবি করে আসছে।

তুরস্কের দাবি, কুর্দি বাহিনীর হামলায় গত ৩০ বছরে তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় প্রায় ৪০ হাজার সদস্য নিহত হয়েছে। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে এ গোষ্ঠীর হামলায় সহস্রাধিক তুর্কি নাগরিক নিহত হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য