মুসলিম বিশ্বের অন্যতম ধর্মবেত্তা ইউসুফ আল-কারজাভিকে গত বুধবার যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে মিসরের একটি সামরিক আদালত। তার বিরুদ্ধে দেশটির ইতিহাসের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির বিরুদ্ধে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জেনারেল সিসি’র সামরিক অভ্যুত্থানের সময় সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। একই আদালত ওই ঘটনায় আট ব্যক্তিকে মৃত্যুদ- দিয়েছে। কাতারে নির্বাসিত কারজাভিসহ যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়া হয়েছে ১৭ জনকে। খালাস দেওয়া হয়েছে ২৬ জনকে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সামরিক আদালত সূত্র জানিয়েছে, কায়রোতে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যাসহ সহিংসতার অভিযোগে তাদের এ দ- দেওয়া হয়েছে। দোহাভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলার্স (আইইউএমএস)-এর প্রধান কারজাভির বিরুদ্ধে হত্যার উসকানি, মিথ্যা খবর ছড়ানো এবং সরকারি সম্পদ তছনছের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালে সৌদি জোটের কাতারবিরোধী অবরোধ শুরুর পর ৫৯ ব্যক্তি ও ১২ প্রতিষ্ঠানকে ‘সন্ত্রাসীদের সমর্থক’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে সৌদি জোট। ওই তালিকায় নাম ছিল ইউসুফ আল কারজাভির। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর ঘোষণা দিলে নতুন করে আলোচনায় আসেন কারজাভি।

টুইটারে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, জেরুজালেম ছাড়া কোনও ফিলিস্তিন হতে পারে না। জেরুজালেম শুধু ফিলিস্তিনের নয়, সমগ্র মুসলিম বিশ্বের।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য