বালু মিশ্রিত এক শত বস্তা নকল সার উদ্ধারের পাঁচ ঘন্টার মধ্যে আরো ৩১ বস্তা নকল সার আটক করেছে এলাকাবাসী। সোমবার রাত নয় টার দিকে নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় হরিণচড়া ইউনিয়নের হংশরাজ এলাকা হতে পুলিশ ওই নকল সারগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

নকল সারগুলো ওই এলাকার সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মোছা: তছকিনা বেগমের স্বামী সার ব্যবসায়ী ওবায়দুর রহমানের। সাত নং ইউপি সদস্য মো: সরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে তিন জনের নামে ও অজ্ঞাত আরো তিন হতে চার জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন।

মামলায় নামীয় আসামীরা হলেন, ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মোছা: তছকিনা বেগম, তার স্বামী সার ব্যবসায়ী ওবায়দুর রহমান ও ভাই সোনারায় ইউনিয়নের চাকধাপাড়া এলাকারা সার ব্যবসায়ী মো: মমিনুর রহমান।

মামলার বাদী ইউপি সদস্য মো: সরিফুল ইসলাম জানান, সোমবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: উম্মে ফাতিমা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্যের বাড়ি হতে এক শত বস্তা নকল সার উদ্ধার করে ও ভ্র্যাম্যমান আদালতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

এরপর রাতে তার বাড়ি হতে একটি নছিমন গাড়িতে করে ৩১ বস্তা নকল সার পাচার করার সময় এলাকাবাসী নছিমন গাড়ি ও সার আটক করে দেয়। এরপর আমরা পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও পুলিশ এসে ওই সারগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এব্যপারে ডোমার থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: মোকছেদ আলী ব্যাপারী জানান, রাতে ৩১ বস্তা নকল সার উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য একটি মামলা করেছে। দ্রুত তদন্ত করে আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: উম্মে ফাতিমা বলেন, সোমবার বিকালে এক শত বস্তা নকল সার উদ্ধার করে ভ্র্যাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সার ব্যবসায়ী ওবায়দুর রহমানের নিকট হতে ২০ হাজার টাকা জরিমান আদায় করা হয়েছে। রাতেও ৩১ বস্তা সার পুলিশ আটক করে। একাজে সার ব্যবসায়ীর স্ত্রী সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য জড়িত হলে তার বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকালে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য তসকিনা বেগমের বাড়ি হতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: উম্মে ফাতিমা ওই এক শত বস্তা বালু মিশ্রিত সার উদ্ধার করে ভ্র্যাম্যমান আদালতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য