আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার চাষিরা ইরি-বোরো বীজতলা পরিচর্চায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে আবহাওয়া ইরি-বেরো ধানের বীজ বপনের উপযোগী থাকায় এবং ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহের সময় বীজতলা নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে ভালো চারা জমিতে রোপণের মাধ্যমে বাম্পার ফলনের আশায় উপজেলার চাষিরা বীজতলা পরিচর্চায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

বীজতলা পরিচর্চা সম্পর্কে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার চাষিদের সাথে কথা হলে তারা জানান, ইরি-বোরো বীজ বপনের সময় আরো কিছুটা হাতে থাকলেও ধান বীজতলা তৈরির কাজটা এবার আগে ভাগেই শুরু করেছেন। বিগত দিনের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী জানুয়ারিতে প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়াশা হয়।

শৈত্য প্রবাহের কবলে পড়ে অপরিপক্ক বোরো ধানের চারার ব্যাপক ক্ষতি হয়। নষ্ট নয় বীজতলার চারাগাছ। চারা সংকটে ইরি-বোরো রোপণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। তাই তারা এবার একটু আগে-ভাগেই বীজ বপন করছেন। এসময় বীজ বপন করলে সমস্যা থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া সম্ভব বলে তারা জানায়।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি অফিসার আজিজুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের এমন পদক্ষেপ ভাল। আগে-ভাগেই বীজ বপনের ফলে বেশী শীতের পূর্বেই বীজতলার চারা সবল হয়ে উঠে। এতে ঘন শীতেও চারার ক্ষতি করতে পারবে না।

তবে বীজতলায় ৩০ সেন্টিমিটার পরপর ড্রেন তৈরি করলে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা সহজ হয় এবং শৈত্য প্রবাহের সময় কৃষকরা প্রয়োজননে জমিতে পানিতে দিতেও বের করে দিতে পারে। এ পদ্ধতি অবলম্বন করলে সহজেই চারা উঠানো সম্ভব হয় বলে চাষিদের প্রতি পরামর্শ দেন তিনি। পরামর্শ অনুযায়ী চাষীরাও হাড় কাঁপানো শীতকে উপক্ষো করে বীজতলা পরিচর্চা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য