দিনাজপুরের মধ্যে ধান উৎপাদনে অন্যতম একটি উপজেলা হলো চিরিরবন্দর। চিরিরবন্দরে বিভিন্ন প্রকার ধান প্রচুর উৎপাদন হয়। এখানকার উৎপাদিত ধান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। উপজেলার কৃষকরা অধিক ধান উৎপাদনের জন্য অত্যাধুনিক পদ্ধতিও গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ইরি-বোরো ধান রোপনে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আদর্শ (কমিউনিটি) বীজতলা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৯১৯ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে উফশী ৮৫১ হেক্টর ও হাইব্রিড ৬৮ হেক্টর জমিতে। এনএটিপি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে ৬৫৫ হেক্টর জমিতে আদর্শ বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।

রাণীপুর গ্রামের কলেজ মোড়ের কৃষক রইফুল আজম, দক্ষিণ নশরতপুর গ্রামের মশিউর রহমান, উত্তর নশরতপুর গ্রামের সুসেন চন্দ্র রায় জানান, সনাতন পদ্ধতির চেয়ে আদর্শ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরিতে শ্রম, স্থান, সেচ খরচও কম লাগে এবং ভালো মানের চারাও পাওয়া যায়।

উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শামিম আহমেদ ও খাদেমুল ইসলাম জানান, উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে আদর্শ বীজতলা তৈরিতে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মাহমুদুল হাসান জানান, আদর্শ বীজতলায় স্বল্প খরচে সুস্থ-সবল চারা উৎপাদন ও কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকি কম থাকে। এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করতে উপজেলায় উপ-সহকারি কৃষি অফিসাররা মাঠে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য