শারমিন জোহা শশী। কোহিনূর আক্তার সুচন্দা পরিচালিত ‘হাজার বছর ধরে’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেন। কিন্তু এরপর তাকে আর নতুন কোনো চলচ্চিত্রে দেখা যায়নি।

তবে এ পর্যন্ত বেশ কিছু ছবির প্রস্তাব পেয়েছেন বলে জানান শশী। নতুন কোনো চলচ্চিত্রে দেখা না যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার কাছে প্রায়ই চলচ্চিত্রের প্রস্তাব আসে। কিন্তু সেগুলোর কোনোটির গল্প, আবার কোনোটির পরিচালক পছন্দ না হওয়ায় কাজ করা হয়নি।

অর্থাৎ ব্যাটে-বলে মিলছে না বলে তা করা হচ্ছে না। সব কিছু মনের মতো হলেই নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করবো। আমি চলচ্চিত্রে কাজের জন্য প্রস্তুত আছি। যে গল্প ও চরিত্র আমাকে দর্শকদের কাছে টানতে পারবে সেটির অপেক্ষায় আছি। এদিকে শশী বর্তমানে ছোট পর্দায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন।

শাহীন সরকারের ‘জ্ঞানী গঞ্জের প-িতেরা’, কায়সার আহমেদের ‘আয়না’, সোহেল আরমানের ‘জলরং’, দেবাশীষ বড়ুয়া দ্বীপের ‘ভালোবাসা প্রেম নয়’, ও সালাহউদ্দিনের ‘মায়া মসনদ’ নেয়াজ মাহবুবের ‘নোলক’সহ বেশ কিছু ধারাবাহিকে তিনি অভিনয় করছেন।

প্রতিটি ধারাবাহিকে এই অভিনেত্রী বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘জ্ঞানী গঞ্জের প-িতেরা’ নাটকে প্রথমবারের মতো শশী চঞ্চলা এক মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। সাধারণত এই অভিনেত্রী শান্ত-গম্ভীর চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন।

এ ছাড়া ‘মায়া-মসনদ’ ধারাবাহিকেও তাকে নতুন রূপে দেখা যাবে বলে জানান। এই অভিনেত্রী সমসাময়িক শিল্পীদের বাইরে সিনিয়র শিল্পীদের বিপরীতেও কাজ করছেন। এই প্রসঙ্গে শশী বলেন, সিনিয়রদের বিপরীতে কাজ করলে অনেক কিছু শেখা যায়।

ভালো কাজের জন্য প্রেরণা পাওয়া যায়। কো-আর্টিস্ট আমার চেয়ে এগিয়ে থাকলে দর্শক আমাকে সহজে গ্রহণ করবে না। সুতরাং সিনিয়রদের বিপরীতে কাজের সময় আমাকে সেই বিষয়টি মাথায় রেখে অনেক যতœ নিয়ে কাজটি করতে হয়।

অভিনয়ের পাশাপাশি শশী নির্মাণে আসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। আর সেজন্য আরো সময় লাগবে। শশী প্রথম নির্মাণটি একান্ত শখের বশেই করবেন। একজন পরিচালককে শিল্পী, প্রযোজক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঠিক রেখে কাজ করতে হয়। সেজন্য পরিপূর্ণতার প্রয়োজন বলে মনে করেন শশী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য