দেশ নাটকের ‘নিত্যপুরাণ’ নাটকটি দেখে মঞ্চে কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল সুষমা সরকারের। ২০০০ সালে তিনি যোগ দেন নাটকের এই দলে। অভিনয় করেছেন ‘জনমে জন্মান্তর’ আর ‘বিরসা কাব্য’ নাটকে। এরপর লম্বা বিরতি। সুষমা সরকারের ভাষায়, ‘টানা ১০ বছর।’ এখন আবার মঞ্চের জন্য কাজ করছেন। এবার তিনি সেই ‘নিত্যপুরাণ’ নাটকেই অভিনয় করবেন। নাটকে তাঁর চরিত্রের নাম ‘দ্রৌপদী’।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হবে দেশ নাটকের নাটক ‘নিত্যপুরাণ’। নাটকটি লিখেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন মাসুম রেজা। তিনি বললেন, ‘আমরা এখন নিয়মিত নাটকটির প্রদর্শনী করছি। সুষমা এর আগেও এই নাটকে কাজ করেছিলেন। তখন তিনি কোরাস অংশে ছিলেন। এবার তাঁকে দ্রৌপদী চরিত্রের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মহড়া দেখেছি। সুষমা ভালোই করেছেন। আশা করছি, মঞ্চেও তিনি ভালো করবেন।’

‘নিত্যপুরাণ’ নাটকে এর আগে ‘দ্রৌপদী’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বন্যা মির্জা ও নাজনীন চুমকি। সুষমা জানালেন, গত মঙ্গলবার আর বুধবার নাটকটির মহড়া করছেন তিনি। অনেক বছর পর কাজ করতে এসে বেশ উপভোগ করছেন। আবার মঞ্চের প্রেমে পড়ে গেছেন। মঞ্চে আবার নিয়মিত কাজ করতে চান।

মহাভারতের সাতটি চরিত্রÑ‘পঞ্চপা-ব’, ‘দ্রৌপদী’ আর ‘দ্রোন’কে নিয়ে নতুন একটি আখ্যান রচনা করেছেন মাসুম রেজা। মহাভারতে একলব্যের সঙ্গে দ্রৌপদীর দেখা হয় না। কিন্তু ‘নিত্যপুরান’ নাটকে তাঁদের দেখা হয়। মাসুম রেজা বললেন, ‘যদিও মহাভারত থেকে চরিত্রগুলো বের করে এনে নতুন একটি আখ্যান রচনা করেছি, কিন্তু নাটকে একসময় চরিত্রগুলো আবার মহাভারতের সঙ্গে মিলে যায়।’

সুষমা সরকার জানান, এই দীর্ঘ সময়ে তিনি টিভির অনেক নাটকে অভিনয় করেছেন। কাজ করেছেন চলচ্চিত্রে। ইদানীং ফাখরুল আরিফিন খানের ‘ভুবন মাঝি’র পর তিনি অভিনয় করেছেন নুরুল আলম আতিকের ‘পেয়ারার সুবাস’, শামীম আহমেদ রনির ‘ধ্যাততেরিকি’ আর বাবা যাদবের ‘বাদশা’ ছবিতে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য