দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় তীব্র কুয়াশা শীত ও কয়েকদিনে টানা শৈত্য প্রবাহ থেকে বীজ তলাকে রক্ষা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে উপজেলার কৃষক। বীজ তলাকে বাঁচাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া ও বিকালে বীজ তলায় সেচ দিয়ে পরেরদিন সকালে পানি বের করে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কাহারোল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

টানা কয়েক দিনে শৈত্য প্রবাহ ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার কারনে কৃষকেরা বোরো বীজ তলা নিয়ে মহা বিপদে পড়েছেন। প্রচন্ড ঠান্ডা আর শৈত্য প্রবাহের কারনে বোরো বীজ তলা বিবর্ণ ও হলুদ রং ধারণ করে ধীরে ধীরে চারাগুলি মরে যাচ্ছে। কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত চারা ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন কাহারোলের কৃষক।

কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সুত্রে জানা গেছে, এবার চলতি বোরো মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। বীজ তলা ধরা হয়েছে ৩২০ হেক্টর। শীতের কারনে বীজ তলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বীজ তলা বাঁচাতে দিনে-রাতে পলিথিন মুড়িয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

এ ছাড়াও বিকালে সেচ দিয়ে পরের সকালে পানি বের করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের। কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীম বলেন, পলিথিন দিয়ে বীজ তলা ঢেকে দিলে বীজ তলার তাপমাত্রা বাইরের চেয়ে ৫ থেকে ৬ ডিগ্রী তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং একইভাবে বোরো বীজ তলায় পানি দিলে তাপমাত্রা ধরে রাখা যায়। অতিরিক্ত শীতের কারনে বীজের চারাগুলি হলুদ বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগ চাষীদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বোরো বীজ তলায় কুয়াশার ঔষধ প্রয়োগ করার জন্য।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য