ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা আর স্মরণকালের শৈত্যপ্রবাহ উত্তরের শহর সৈয়দপুরে বইছে। এর কারণে বিঘœ ঘটেছে বিমান, ট্রেন ও বাস চলাচলে। নিম্ন আয়ের মানুষেরা খড়কুটো জ¦ালিয়ে শীত নিবারন করার চেষ্টা করছে। সরকারি বেসরকারি ভাবে এ বছর তেমন একটা শীতবস্ত্র বিতরণ চোখে পড়েনি।

তীব্র শীতের কারণে সৈয়দপুর উপজেলার প্রায় ৪ লাখ মানুষ কাহিল হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অফিস মতে, সকালে সর্বনিম্ন সৈয়দপুরে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস বিরাজ করছিল। ঘন কুয়াশার কারণে সৈয়দপুরে বিমান চালকদের নির্দিষ্ট দৃষ্টিসীমা দুই হাজার মিটারের মধ্যে না থাকায় ঢাকা-সৈয়দপুর রুটের গত তিনদিন যাবৎ সকালে বিমান অবতরন দুই থেকে তিন ঘন্টা বিলম্বিত হচ্ছে।

তবে বিমানবন্দর ম্যানেজার শাহীন আহমেদ জানিয়েছেন, কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর স্বাভাবিক নিয়মে রানওয়েতে বিমান অবতরন করতে সমস্যা হচ্ছে না। রাতের বেলায় চলাচলকারী ট্রেনগুলো কুয়াশার কারণে গন্তব্য পৌছাতে ২ থেকে ৩ ঘন্টা দেরী হচ্ছে। একই অবস্থা বিরাজ করছে সড়ক পথেও। ঘন কুয়াশার কারণে ৭ ঘন্টার পথ এখন ১২ ঘন্টাতে পৌছাচ্ছে।

শীতের তীব্রতায় বেড়েছে শীতজনিত রোগের। গত তিন দিনে সৈয়দপুরের হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে শীতজনিত রোগ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশী। সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহিম জানান, প্রতিদিন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভালো সেবার কারণে কোন রোগীর বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে না। বর্তমানে সৈয়দপুরের বিভিন্ন বাজারে গরম কাপড় বিক্রির হিড়িক পড়েছে। আর এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা কাপড়ের দাম দ্বিগুণ বেড়ে দিয়েছে। এমন অভিযোগ কাপড় কিনতে আসা নারী-পুরুষ ক্রেতাদের। তবে ব্যবসায়ীরা বলছে আমরা কোন প্রকার দাম বাড়িয়ে দিচ্ছি না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য