এ মওসুমের পৌষ মাসের শুরুতে তেমন শীত না থাকলেও শেষে এর তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কনকনে শীত ঝেকে বসেছে। সকাল ও রাতে হিমেল হাওয়া আর কুয়াশায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে এ অঞ্চলের ছিন্নমুল ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ। বীজতলা নিয়ে চিন্তিত কৃষক।

গত বুধবার থেকে শৈত্য প্রবাহ দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাবেই কাপঁছে দিনাজপুরবাসী। আরও ২/১দিনে তাপমাত্রা আর কমার সম্ভাবনা রয়েছে। জানুয়ারী মাসেই আরও ২টি শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ডিগ্রি সেলসিয়াস বলে আবহাওয়া অফিস জানায়।

এদিকে, সকাল ও রাতে কুয়াশা আর হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে আগুন জ্বালিয়েও নিস্তার পাচ্ছেন না শীতে কাবু মানুষগুলো। সকালে মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করেছে। বিরূপ আবহাওয়ার কারণে কষ্টে আছে খেটে খাওয়া মানুষগুলো। সন্ধার পর পরই শহরে লোকজনের সংখ্যা কমে যেতে শুরু করে। বুধবার থেকে শুরু হওয়া গত দুইদিন ধরে কনকনে হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষজন।

আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জুর হোসেন জানায়, দিনাজপুরের উপর দিয়ে শৈত্য প্রবাহ প্রবাহিত হওয়ায় ঠান্ডার পরিমান বেড়ে গেছে। তাপমাত্রার সাথে পশ্চিমা বাতাস থাকায় কনকনে শীত অনুভুত হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য