ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা আর মৃদু শৈত্য প্রবাহ বইছে উত্তরের জেলা নীলফামারীতে। উত্তরের হিমেল হাওয়ার সাথে ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নীলফামারীর জনজীবন। আবহাওয়া অফিস সূত্র মতে, আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় নীলফামারী জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন সৈয়দপুরে তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

সন্ধ্যার পর থেকে দুপুর পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডা বিরাজ করছে এ জনপদে। বিঘœ ঘটেছে বিমান, ট্রেন ও বাস চলাচলে। নিম্ন আয়ের মানুষেরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারন করতে দেখা গেছে। ঘন কুয়াশার কারনে সৈয়দপুরে বিমান চালকদের নির্দিষ্ট দৃষ্টিসীমা দুই হাজার মিটারের মধ্যে না থাকায় ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে বিমান চলাচলে প্রায়ই বিঘœ ঘটছে।

রাতের বেলায় চলাচলকারী ট্রেনগুলো কুয়াশার কারনে গন্তব্য পৌছাতে ২ থেকে ৬ ঘন্টা দেরী হচ্ছে। গত দু’দিনে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর ট্রেন সীমান্ত এক্সপ্রেস নীলফামারী স্টেশনে ৬ ঘন্টা দেরীতে পৌছে।

ঢাকা-চিলাহাটি রেলপথের নীলসাগরসহ অন্যান্য ট্রেনগুলো ২ ঘন্টা দেরীতে চলাচল করছে। সৈয়দপুর স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম জানান, ঘন কুয়াশার কারনে ট্রেনের গতি প্রতি ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার থেকে নেমে ৬০ কিলোমিটারে চালাতে গিয়ে সময়ক্ষেপন হচ্ছে। একই অবস্থা বিরাজ করছে সড়ক পথেও।

একে তো রাস্তার বেহাল দশা, তার ওপর ঘন কুয়াশা। ৭ ঘন্টার পথ এখন ১৪ ঘন্টাতে পৌছাতে পারছে না। শীতের তীব্রতায় বেড়েছে শীতজনিত রোগের। গত ৪ দিনে নীলফামারীর ছয়টি উপজেলা হাসপাতালে দুই শতাধিক ডায়রিয়া রোগী ভতি হয়েছে। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য