বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঘোড়াঘাট কে,সি পাইলট স্কুল ও কলেজ জাতীয় করনের দাবীতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান সরকার। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে জানান, ১৯০০ ইং সালের গোড়ার দিকে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।

পরবর্তিতে ১৯৪০ সালে নবম শ্রেণী খোলা হয়। ঘোড়াঘাট কেসি স্কুল ও কলেজ ঘোড়াঘাট থানা ও পৌর সদরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত। উক্ত প্রতিষ্ঠানটির একটি খেলার মাঠসহ মোট ১৬.৪৮একর জমি রয়েছে। ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ১৩৬২জন,এর মধ্যে ২৬৩জন ছাত্রী ।

সকল স্তরের পরীক্ষার হার ৯০ শতাংশের বেশী। প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্ব বিবেচনা করে মডেল প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা সদরে হওয়ায় এখানে একটি পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে ,যার কোড নং ৭৯৫।

গত ০১/০৩/২০১৬ইং প্রতিষ্ঠানটি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দপ্তর হতে জাতীয় করণের জন্য প্রাথমিক ভাবে তালিকা ভুক্ত হয়,যার স্মারক নং ০৩,০০১,০০০,০০,০১,২০১৬/০৯ ও ক্রমিক নং ৭৪। একটি প্রভাবশালী মহল অজ্ঞাত কারনে অত্র প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে ঘোড়াঘাট থানা ও পৌর সদর থেকে ১১কিলোমিটার দুরে ও উপজেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দুরে ৩নং সিংড়া ইউনিয়নের মফস্বলে অবস্থিত রানীগঞ্জ ২য় দ্বিমূখী স্কুল ও কলেজকে জাতীয় করনের ঘোষনার ফলে অত্র এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের প্রানের দাবী উপজেলা সদর ও পৌরসভার প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত সকল দিয়ে যোগ্য ঘোড়াঘাট কে,সি পাইলট মডেল স্কুল ও কলেজকে জাতীয় করণের জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম , সদস্যবৃন্দ,শিক্ষক/শিক্ষিকাবৃন্দ, অভিভাবক সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য