দিনাজপুরেত দু’দিন ধরে চলছে শৈত প্রবাহের সাথে ঘন কুয়াশা, যার কারনে জেলায় শীতের প্রকপ প্রচন্ড আকার ধারন করেছে।

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ বুধবার সূর্যের আলো দেখা গেলেও মৃদু হিমেল হাওয়ায় মানুষজন নাকাল হয়ে পড়ছে।

ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তাঘাটে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। সাধারন মানুষ জবুথবু হয়ে পড়েছে শীতের তীব্রতায়। অতিরিক্ত শীতের কারনে আলুর ফসলে লেটব্রাইট নামক এক প্রকার ছত্রাকের আক্রমণ হওয়ার আশংকা করেছে কৃষকরা।

হাসপাতালে শীত জনিত কারণে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীতের প্রভাব আরও তিনদিন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

দিনাজপুরে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেগে। এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বুধবার। তাপপাত্রা আরও নিম্নমুখী ও শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে বলে আশংঙ্খা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।

দিনের বেলা কুয়াশার তেমন আধিক্য না থাকলেও দিনাজপুরসহ উত্তরের এই জনপদে গত ক’দিন ধরেই অনুভুত হচ্ছে তীব্র শীত। দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও তাপমাত্রা তেমন বাড়ছে না। বিকেল হতে না হতেই জেঁকে বসছে তীব্র শীত। সন্ধ্যা হতে না হতেই জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আর শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন জানান, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ ক্রমান্বয় ২০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। বাতাসের কারনেই শীতের তীব্রতা অনেক বেশি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য