২০১৮ সালে প্রায় ১২শ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে পারবে বলে আশা করছে মিসর। বুধবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত নভেম্বরে দেশটির বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৬৭২ কোটি ডলার যা দেশটির মোট বিদেশি রিজার্ভের প্রায় তিনগুণ। মধ্যপ্রাচ্য পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ সংস্থা মিডলইস্ট মনিটরের খবরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১১ সালে বিদ্রোহ শুরুর পর থেকে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে মিসরের অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ডলার সংকটের কারণে এক সময় দেশটির আমদানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল।

সে সময় দেশটি বিভিন্ন ঋণদাতার কাছ থেকে শত শত কোটি ডলার ঋণ নেয়। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে টিকিয়ে রেখে সরকারি ঋণ কমানোর পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতেই এসব করা হয়।

মিসরের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার মিনা’র বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালে ৩ হাজার কোটি ডলারের আর্থিক চুক্তি ও বৈদেশিক দেনা শোধ করেছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, লিবিয়া ও তুরস্কের আমানত ও ঋণসহ আফ্রিকান এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের অর্থ শোধ করা হয়েছে।

আগের বছরের তুলনায় গত জুনে মিসরের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার হয়েছিল। ২০১৬ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে তিন বছরের জন্য ১২শ কোটি ডলার ঋণ নেয় মিসর। এই মাসে আইএমএফের কাছ থেকে ওই ঋণের চতুর্থ কিস্তির ২শ কোটি ডলার পাবে মিসর। এরমধ্যে একশ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক আর ৫০ কোটি ডলার করে দেবে আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য