বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভূক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত থাকা সন্দেহে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার রোলের কর্মচারী রায়হান চৌধুরী পিন্টু নামে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন সেই আন্টি!। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং গেট থেকে পিন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরিক্ষার সাক্ষাতকার দিতে এসে ভুয়া পরিক্ষার্থী ছয়জনসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করা হয়। ভুয়া পরিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন শামস বিন শাহরিয়ারের ফোনে কিছু রেকর্ড পাওয়া যায়। তার রেকর্ড থেকে বেরিয়ে আসে এক আন্টি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও ছাত্রলীগ নেতার জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (চলতি দায়িত্ব) আবুল কালাম মোঃ ফরিদুল ইসলাম বাদি হয়ে ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এদিকে গত ২৮ই ডিসেম্বর বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় শনাক্ত করা ভূয়া পরীক্ষার্থী এবং তাদের সঙ্গে জড়িতদের তথ্য অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। এতে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আজিজুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং সাইবার সেন্টারের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও সহকারী প্রক্টর মুহাঃ শামসুজ্জামানকে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্য হলেন সহকারী প্রক্টর এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিউর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মহিব্বুল ইসলাম মুন বলেন, ‘ভর্তি পরিক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় পিন্টুর জড়িত থাকার প্রমান মিলেছে। শনিবার তাকে কোতোয়ালী থানা থেকে জেলে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি’।

আন্টির ব্যাপারে জানতে চাইলে মহিব্বুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি (আন্টি) পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি’।

এব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (চলতি দায়িত্ব) আবুল কালাম মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মামলা করেছিলাম। পরে পুলিশ কি করেছে আমি জানিনা’।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য