দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় মাঠে মাঠে বিশাল এলাকা জুড়ে আবাদ হয়েছে সরিষা। হলুদ ফুলে ফুলে ভরে আছে বেশীর ভাগ সরিষা ক্ষেত। মৌ মৌ গন্ধে সুবাস ছড়াচ্ছে পুরো এলাকা। আকৃষ্ট করেছে মৌমাছি সহ সকল প্রকৃতি প্রেমিককে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ নাহলে ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

কাহারোল কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে এবার প্রায় ৮৭৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে সরিষার আবাদ হয়েছে। সরিষার ফুলে ফুলে মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার খাল বিলে সরিষার ফুলে সরিষার ফুলে ফুলেও মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ। সরিষার ফুলে ফুলে হলুদ বর্নের বর্ণিল হওয়ায় সরিষা ক্ষেতে দুর-দুরান্ত থেকে স্কুল কলেজের সৌখিন প্রকৃতি প্রেমিকেরা বেড়াতে আসছেন। আবার সরিষার ফুলের সৌন্দর্যকে ধরে রাখার জন্য অনেক তরুন-তরুনিরা ক্যামেরা ও ভিডিও মাধ্যমে নিজেদের ছবির সাথে সরিষার ফুলের ছবি ধরে রাখছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীম জানান, উপজেলার বিস্তৃন্নমাঠে এবার বন্যার পলি পড়ায় জমিউর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাপক হারে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। বারি-১৪ জাতের সরিষা কৃষকের স্বপ্ন পুরনের পাশাপাশি ভোজ্য তেলের ঘাটতি পুরনের ও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা করছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলে ভরে গেছে ফসলের মাঠ। চারিদিকে তাকালেই যেন সবুজের ফাকে হলুদের সমাহার। কখনো কখনো সরিষার ক্ষেতে বসছে পোকা খাদক বুলবুলি ও শালিকের ঝাঁক অনেকটা প্রতিকুল আবহাওয়ার পরও এখানে প্রায় ৮৯৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে।

কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীম জানান, সরকারের সরিষা বীজ প্রনোদনা থাকায় কৃষকের উপকার হয়েছে এবং আগ্রহসহ সরিষার আবাদ করেছেন বলে তিনি জানান, পাশাপশি তিনি সরিষার ফলন ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য