বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যুতে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভে অংশ নেয়ায় তুরস্কের দুই নাগরিককে ইসরাইল থেকে বহিষ্কার করছে দখলদার ইহুদিবাদী সরকার। ইসরাইলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা ঘোষণা করেছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, গত সপ্তাহে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন তুরস্কের ওই দুই নাগরিক। আটক করার পর এখন তাদেরকে বহিষ্কার করা হবে। গতকাল (সোমবার) ইসরাইলি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, একজনকে সোমবার এবং অন্যজনকে শনিবার বহিষ্কার করা হবে। সে অনুযায়ী আটক এক ব্যক্তির গতকালই ইসরাইল থেকে বহিষ্কারের কথা ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে সর্বশেষ তথ্য জানা যায় নি। ইসরাইলি ওই মুখপাত্র জানান, বেলজিয়ামের পাসপোর্ট নিয়ে দুই তুর্কি নাগরিক ইসরাইলে ঢুকেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগের মধ্যেম ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে-তুর্কি পতাকার প্রতীকযুক্ত লাল টি-শার্ট পরা কয়েকজন ব্যক্তি বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে ইসরাইলি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে ইসরাইলি পুলিশ এবং এর মধ্যে দু জনের তুরস্ক ও বেলজিয়ামের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। এ দু জনের বিরুদ্ধে ‘পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা’ দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যজনকে অবৈধভাবে বিক্ষোভ অংশ নেয়া ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। ইসরাইল দু জনকে আটক করার কথা স্বীকার করেছে।

গত ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস বায়তুল মুকাদ্দাসে নেয়ার নির্দেশ দেন। ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর থেকে তুর্কি সরকার ও জনগণ কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ১০ ডিসেম্বর বলেছেন, ফিলিস্তিনের জনগণকে দখলদার ও শিশু হত্যাকারী ইসরাইলি সরকারের করুণার ওপর ছেড়ে দেবে না তুরস্ক।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য