সড়ক যোগাযোগ, সেতুসহ অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে প্রায় ছয় মাস ধরে বন্ধ থাকা রৌমারী শুল্ক স্টেশনটি আবারও চালু হতে যাচ্ছে। আগামী বছর (২০১৮) শুল্ক স্টেশনটি পুনরায় চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কমিশনার (রংপুর অঞ্চল) মোহাম্মদ আহসানুল হক।

রৌমারী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রৌমারীর আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত জানান তিনি। রৌমারী উপজেলা আমদানি রপ্তানিকারক এসোশিয়েশনের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শালু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রায় ৬ মাস ধরে বন্ধ রৌমারীর শুল্ক স্টেশন চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে মোহাম্মদ আহসানুল হক প্রয়োজনীয় বলেন,শুল্ক স্টেশনটি পুণরায় চালুর জন্য জমি অধিগ্রহণ,ওজন সেতু স্থাপন, শুল্ক স্টেশনের অন্যান্য অবকাঠামোগত স্থাপনা নির্মাণের সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে তিনি আরও বলেন, আগামী বছরেই (২০১৮) শুল্ক স্টেশনটি চালু হবে।

মতবিনিময় সভায় আমদানি-রফতানিকারক ব্যবসায়ীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, কিছু পণ্য যেমন গবাদিপশু, মাছের পোনা, তাজা ফলমূল, গাছর চারা, বীজ, রাসায়নিক সার, পেঁয়াজ, মরিচ, রশুন, আদা, টিম্বার, চুনা পাথর,কাঠ, ইত্যাদি পন্যে আমদানির অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও কোয়ারেন্টেন অফিসার না থাকায় পণ্য আমদানি করা যাচ্ছে না।

ভোক্তাদের চাহিদা থাকায় নতুন কিছু পণ্য যেমন সুপাড়ি, জিরা, লবণ, তেতুল, চাউল, শুটকি মাছ, ডাল, চামড়া, রি-কন্ডিশন গাড়ি, গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ, ভুট্টা, মসলা জাতীয় সকল পণ্য, কৃষি পণ্য ও গার্মেন্টস আইটেমগুলো আমদানির তালিকায় অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেন ব্যবসায়ীরা।

রৌমারী আমদানি-রপ্তানি কারক এসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জাহিদুল ইসলাম জাহিদের সঞ্চালনায় ও রৌমারী আমদানি রপ্তানিকারক এসোশিয়েশনের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শালুর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের উপ-কর কমিশনার সাইফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার রেজভি আহম্মেদ, রাজস্ব কর্মকর্তা একেএম আনোয়ারুল হক, ভারতের মাইনকারচর আমদানি-রপ্তানি কারক এসোসিয়েশনের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহীদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ বাদশা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য