প্রতিদিন স্কুল,কলেজ,ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবিসহ হাজার হাজার মানুষজন পারাপার হয় করতোয়া নদীর হাজীরঘাট নামক খেয়া পারাপারে। সম্বল একটি মাত্র খেয়া পারাপারের নৌকা। ওপারে পলাশবাড়ী উপজেলা আর নৌকা থেকে এপারে পা রাখলেই ঘোড়াঘাট পৌর শহর। স্বাভাবিক কারনেই ওপারের ১০/১২টি গ্রাম থেকে ছাত্র ছাত্রীসহ লোকজন এপারে ছুটে আসে ভাল কিছু পাওয়ার আশায়।

ঘোড়াঘাট পৌরসদরের ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়তে আসা স্কুল কলেজগুলিতে প্রতিদিন অসংখ্য ছাত্রছাত্রী জীবনের ঝুকি নিয়ে ওপার থেকে এপারে চলে আসে,আবার ছুটি শেষে ওই ঝুঁকি নিয়েই বাড়ী ফেরে। স্বাভাবিক কারনে অভিভাবকমহল থাকে উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠার মধ্যে। ঘোড়াঘাট হাজিরঘাটের প্রতিদিেিনর দৃশ্য দেখা যায় প্রাইমারী থেকে কলেজ পড়ুয়া অনেক ছাত্র ছাত্রী নদী পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছে।

আবার অনেক এনজিও কর্মীও প্রতিদিন ওই সমস্ত গ্রামে যায় কিস্তির টাকা লেনদেনের জন্য। তাদেরকে অনেকটা বাধ্য হয়েই ঝুকি নিয়ে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল নৌকাতে উঠিয়ে নদী পার হতে হয়। বর্ষাকালে নদী যখন উত্তাল থাকে তখন জীবনের হুমকী নিয়ে সকলকে পারাপার হতে হয়। নদীর ওপারের ১০/১২টি গ্রামের কৃষকেরা তাদের ফসল বিক্রয়ের প্রধান বাজার ঘোড়াঘাটসহ রানীগঞ্জ ও বৃহত্তম কামদিয়ার হাটবাজারগুলি।

ওই সমস্ত চাষীদের পন্যসামগ্রীসহ জীবনের ঝুকি নিয়ে করতোয়া নদী পার হলে মাত্র ২কিলোর মধ্যেই ঘোড়াঘাট পৌরহাট ও বাজার। অন্যদিকে পলাশবাড়ী ও চতরা ৫থেকে ১০কিলোটিার দুরে। শুধু একটি ব্রীজের অভাবে যুগ যুগ ধরে চলছে ভোগান্তি। ঘোড়াঘাট হাজিরঘাটে ব্রীজ নির্মানের প্রতিশ্রুতি অনেকেই দিয়েছেন কিন্তু কথা রাখেননি কেউ।অথচ গুরুত্বপুর্ন ওই স্থানে ব্রীজ নির্মান করা আশু প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

হাজিরঘাটে ব্রীজ নির্মান হলে ঘোড়াঘাটসহ এ অঞ্চলের লোকজন সহজেই রংপুর পীরগঞ্জ সহ ওই সমস্ত এলাকায় অনেক কম সময় ও কম খরচে যাতায়াত করতে পারবে। যে কারনে একটি গুরুত্বপুর্ন স্থানে করতোয়া নদীর উপরে ব্রীজ নির্মানের দাবী পলাশবাড়ী উপজেলার ১০/১২টি অবহেলিত গ্রামবাসীসহ ঘোড়াঘাট উপজেলাবাসীর।এ ব্যাপারে সংশি¬ষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।

ছবি ঃ ঘোড়াঘাটের হাজীরঘাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীসহ অসংখ্য মানুষ পারাপার হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য