যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেমিয়ান গ্রিন। প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে’র অনুরোধে তিনি পদত্যাগ করেন।

একটি তদন্তে ডেমিয়ানের মন্ত্রীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আসার পর তিনি পদত্যাগ করলেন।

২০০৮ সালে ডেমিয়ান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সে তার কার্যালয়ের কম্পিউটারে পর্নগ্রাফি পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে সঠিক বিবৃতি না দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিলেন।

তার অসংগত আচরণের অভিযোগ নিয়ে প্রাথমিক একটি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এ তথ্য।

ডেমিয়ান ওই অভিযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিবৃতি দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। পদত্যাগপত্রে এ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।

কিন্তু কম্পিউটারে পর্নগ্রাফি ডাউনলোড করা কিংবা দেখার অভিযোগ ডেমিয়ান বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন। বলেছেন, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই।

তদন্তে দেখা গেছে, ডেমিয়ান কম্পিউটারে ওইসব অশ্লীল জিনিস পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি জানতেন না বলে যে বিবৃতি দিয়েছিলেন তা ঠিক ছিল না।

এরপরই প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করার অনুরোধ জানান। তার বিদায়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে একটি লিখিত বিবৃতিও দেন মে।

ডেমিয়ান গ্রিন ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে’র সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের একজন এবং সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী। দলের বিভক্তি সামলে দলকে একতবদ্ধ রাখায় সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি।

ব্রেক্সিট আলোচনার এ শেষ সময়ে এসে ডেমিয়ানের পদত্যাগ মে’র জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য