রংপুরের বদরগঞ্জে হাঁড়কাপানো ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে। অগ্রহায়ণ মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তেমন কোন শীত নাপড়লেও পৌষের শুরু থেকে হঠাৎ যেন জেকে বসেছে শীত। গত শনিবার থেকে কোথাও সুর্যের মুখ দেখা যায়নি। হিমেল বাতাসে জবুথবু অবস্থায় মানুষজনকে রাস্তায় চলাচল করতে দেখা গেছে।

কনকনে ঠান্ডায় অনেকটা কাহিল হয়ে পড়েছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দিনের বেলা যানবাহনগুলো চলছে ধীর গতিতে। এদিকে গরম কাপড়ের খোঁজে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় ছিল লক্ষ্য করার মত।

বদরগঞ্জ পৌরশহরের বিভিন্ন ফুটপাত ও বাজার ঘুরে চোখে পড়ে শীতের কাপড় বিক্রির চিত্র। বাজারের দোকানপাটসহ ফুটপাতের দোকানগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে দরিদ্র ও নি¤œ আয়ের মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বদরগঞ্জ পৌরশহরের পুরাতন বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, লাখ লাখ টাকা ইনভেস্ট করে আগাম গরম কাপড় মজুদ করেছি।

আগাম শীত পড়লে এতদিনে কয়েক বার ঢাকার মোকামে যেতে হতো। কিন্তু এবারে শীত দেরিতে আসায় বিক্রির অভাবে হাতগুটে বসে ছিলাম। ফুটপাতের ব্যবসায়ী কিবরিয়া মিয়া বলেন, এবারে গরম কাপড়ের তেমন চাহিদা ছিলনা। গত কয়েকদিন ধরে শীত বেড়ে যাওযায় বেচা-বিক্রি অনেকটা বেড়েছে।

এদিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্ক লোকেরা। হাসপাতালে ভিড় বেড়েছে শিশু ডায়রিয়া,নিউমোনিয়া,সর্দি-কাশি,শ্বাসকষ্ট ও হাপানী রোগিদের।

বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. আবদুল হাই বলেন, হঠাৎ ঠান্ডার কারণে শিশুদের ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গতকাল পর্যন্ত এখানে ঠান্ডাজনিত রোগে অনেক শিশু ভর্তি হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য