অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় রূপচর্চায় লবণের প্রচলন বেড়েছে বিগত কয়েক বছরে। যদিও রক্তচাপের রোগীদের জন্য লবণ ক্ষতিকারক একটি উপাদান, তবুও রূপচর্চার খাতিরে একে একটু সুযোগ দেওয়াই যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী ক্ষেত্রে লবণ ব্যবহৃত হতে পারে।

ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে
নিয়মিত স্ক্রাব করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয় এবং ত্বক উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হয়। এজন্যে আপনাকে বাজারের দামি স্ক্রাব মোটেই ব্যবহার করতে হবে না। খুব সহজেই লবণের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে
ছোটখাটো কাঁটাছেড়া আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। লবণের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের মাধ্যমে এগুলো সহজে দূর করা যায়। দুই টেবিল-চামচ খাবার লবণের সঙ্গে চার কাপ গরম পানি মেশান। আপনি চাইলে এ মিশ্রণ গোসলের পানির সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার যেকোনো ইনফেকশন ধীরে ধীরে কমে যাবে।

প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্ট হিসেবে
ব্যাকটেরিয়ার কারণে শরীরে বেশ গন্ধ হতে পারে এবং এটি কমাতে লবণ অনেকটা সাহায্য করে থাকে। লবণের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ভেজিটেবল অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। আপনি চাইলে একটি টিস্যু পেপার লবণ পানির মধ্যে ডুবিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

ব্রণ দূর করতে
ব্রণের ব্যাকটেরিয়া দূর করে এটি শুকিয়ে ফেলতে লবণ বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লবণ পানির মধ্যে একটি তুলার বল ডুবিয়ে ব্রণের উপর লাগান। ধীরে ধীরে দেখবেন ব্রণের আকৃতি ছোট হয়ে আসছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য