কুড়িগ্রামের রৌমারীতে উপজেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা করায় নেতা-কর্মীদের মাঝে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রতিদিনই বিক্ষোভ মিছিল, হুমকি ধামকি ও ছোটখাট সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

এদিকে রবিবার বিকেল ৩টায় কমিটির পক্ষে আনন্দ মিছিল করার কথা থাকলেও পুলিশ তা করতে দেয়নি। পার্টি অফিস, সন্দেহপ্রবন সড়কের মোড়ে মোড়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। যুবদল ও বিএনপি’র নেতাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। নেতাকর্মীরা ভির জমালেই ছত্রভঙ্গ করছে পুলিশ। পুলিশ জোরদার টহল ব্যবস্থা ও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি গোটা শহরকে থমথমে করে তুলেছে।

এরপরও যেকোন মূর্র্হুতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকেই নতুন কমিটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে অপরপক্ষ। কমিটির পক্ষে আনন্দ মিছিল ঘোষণা করায় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী ঘোষণা করেছে যুবদলের বড় অংশটি। এ নিয়ে সর্বত্রই উত্তেজনা বিরাজ করছে।

যুবদল সূত্রে যানা যায়, গত ১৩ ডিসেম্বর জেলা যুবদলের সভাপতি রায়হান কবির ও সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহম্মেদ স্বাক্ষরিত রৌমারী উপজেলা যুবদলের ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তাদের দাবি, একটি বিশেষ মহলের ব্যক্তিগত ইচ্ছায় এ ‘পকেট কমিটি’ করা হয়েছে। যুবদল তথা বিএনপি’র এ দূর্দিনে নতুন কমিটি দলের জন্যই বিপদ ডেকে আনবে।

তারা আরও বলেন, রৌমারী উপজেলা ও জেলা বিএনপির সভাপতি সম্পাদকের সাথে কথা না বলেই একক সিদ্ধান্তে জেলা যুবদলের সভাপতি মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে মনগড়া কমিটি করেছে। যা রৌমারী উপজেলা যুব দলের জন্য কখনই শুভকর নয়। আমরা কোনক্রমেই এ কমিটি মেনে নেব না। এ কমিটি বাতিল করা না হলে কঠোর কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

এ ব্যপারে রৌমারী থানার অফিসার ইনর্চাজ জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আনন্দ মিছিল করতে দেয়া হয়নি। পাশাপাশি পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য