প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল প্রধান শিক্ষকের (প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত) বেতন স্কেলের এক ধাপ নিচে নির্ধারণে দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ।

আজ শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ জেলা শাখার আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের জেলা শাখার আহবায়ক রাজিউর রহমান রাজা।

এতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৩ সালে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল একই ছিল। ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপে ছিল। এর পর থেকে বেতন স্কেলের ব্যবধান বাড়তে থাকে এবং ২০১৪ সালের ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবধান দাড়ায় ৩ ধাপ।

২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১১ তম গ্রেডে ১২ হাজার ৫’শ টাকা এবং প্রশিক্ষন প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ১০ হাজার ২’শ টাকা স্কেলে বেতন পাচ্ছেন। একই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সহকারী শিক্ষক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেও বেতন পাচ্ছেন প্রধান শিক্ষকের ৩ ধাপ নিচে।

এতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককের মুল বেতনের ব্যবধান দাড়িয়েছে ২৩’শ টাকা। একজন প্রধান শিক্ষক যে স্কেলে চাকরিতে যোগদান করেন সেই সেই স্কেলে একজন সহকারী শিক্ষক অবসর নেন। এটি সরকারী শিক্ষকদের জন্য চরম বৈষম্য। অবিলম্বে তা নিরসন করার দাবি জানানো হয়।

আগামী ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্য দুরিকরণে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ২৩ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অমরন অনশন কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক, সহ সভাপতি নাসেরা হুদা, মল্লিকপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত আলী, শাটিয়া অদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সলিমউদ্দীন, ভাকুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকসেদ আলী, সহকারী শিক্ষক সমাজের সদস্য আব্দুর রাজ্জাকসহ অর্ধ শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য