মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ থেকেঃ বীরগঞ্জে মঙ্গলবার বাড়ীর শোওয়ার ঘর থেকে কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে মর্গে করা হয়েছে।

উপজেলার সাতোর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্র মঞ্জুরুল ইসলাম (২৫)’র স্ত্রী একই উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপাড়া গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন পোহাতুর অর্নাস (শেষ বর্ষের ছাত্রী) পড়ুয়া মেয়ে তছলিমা খাতুন (২২)’র লাশ এই দিন সকাল সারে ১০টায় তার নিজ শেওয়ার ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ মর্গে প্রেরন করেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, উল্লেখিত সময়ে তছলিমার ঘরের দরজা বন্ধ দেখে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে ফাঁসীতে ঝুলতে দেখে তাকে নামিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য, চৌপুকুরিয়া (জিন্দাপীর মেলা) উচ্চ বিদ্যালয় লেখাপড়া করার সময় উভয়ের ভাললাগা থেকে ভালবাসা ও প্রেম হয়। তারা ৬/৭ মাস পূর্বে গোপনে বিয়ে করতে গিয়ে দিনাজপুর জেলা সদর পূর্বাঞ্চল হোটেলে অবস্থানকালে জনতার হাতে আটক ও বিয়ে হয়।

বিয়ের পর মনঞ্জুরুল নববধুকে নিয়ে বাড়ীতে ফিরে আসে কিন্তু বাবা-মা ও পরিবারের লোকেরা বিয়ে মেনে না নিয়ে বাড়ী থেকে তাদের তাড়িয়ে দেয়। কয়েকদিন তছলিমার বাবার বাড়ীতে অবস্থান করার পর ঢাকা চলে যায় বর মনঞ্জুরুল।

স্বামীর পরামর্শে একাধিবার শশুরবাড়ী গিলে তাকে মেনে না নেওয়ায় আবার বাবার বাড়ীতে ফিরে আসে তছলিমা।

বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবু আক্কাছ আহ্মদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল লিপিবদ্ধ করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ দিনাজপুর এম রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছে। ভিসারা রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য