দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের আমন ধান কাঁটা প্রায় শেষ। কিন্তু এবার অসময়ে বন্যায় আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পরেও আশার আলো দেখছিলেন কৃষকেরা।

অসময়ে বৃষ্টি ও ব্লাষ্ট রোগে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার ফলে এবার নতুন করে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এখন বড় ধানের বীজ তলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। বোরো ধানের বীজের চাহিদা বাড়ায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ভরা বোরো মৌসুমে বোরো বীজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

মুকুন্দুপুর গ্রামের কৃষক হান্নান বলেন গত বছর বোরো বীজ ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে কিনেছিলাম। বর্তমানে সেই বীজের দাম ৭৫-৮০ টাকা। ১০ কেজি বীজের দাম ৭৫০-৮০০ টাকা।

রামচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক শাহজাহান বলেন এখন আমন ধান কাঁটা মাড়ায়ে ব্যস্ত কৃষক। এই মৌসুমে ধানের আবাদ কিছুটা কম হওয়ায় খুব বিপদে পড়েছি। ধানের ফলন ভালো পেয়েও কিন্তু দাম ভালো না পাওয়ায় চিন্তায় আছি।

কাহারোল উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে এবার উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ মাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি। গত বছরের তুলনায় এবার ১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ বেশি হবে বলে জানা গেছে।

এবার ৩২০ হেক্টর জমিতে বীজ তলার লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে কৃষকেরা বীজ তলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কাহারোল উপজেলার কৃষকেরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামিম বলেন কৃষকদেরকে বোরো বীজতলা তৈরির জন্য কৃষি বিভাগ পরামর্শ দিচ্ছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য