দাঁত পরিষ্কারের জন্য যেসব উপাদান রয়েছে, তার মধ্যে টুথপেস্ট, দাঁতের মাজন, কয়লা, ছাই, ডালপালা ইত্যাদি অন্যতম। কিন্তু এগুলোর মধ্যে কয়লা, ছাই ছাড়া বাকি উপাদানগুলো ব্যবহারের যোগ্য বলে ধরে নেয়া হয়। দাঁত মাজার জন্য তথা দাঁতের সুস্থতার জন্য উলিস্নখিত উপাদানগুলো দাঁত পরিষ্কারের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

আমাদের দেশে অনেকেই আছেন, যারা মনে করেন ‘গুল’ দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয় এবং দাঁত ভালো থাকে। তাদের এই ধারণা ভুল তো বটেই উল্টো ক্ষতিকর। গুল মুখের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। দাঁতের গোড়া নরম হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে- জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ। মাড়ির এই প্রদাহ দীর্ঘ চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা যায়। কিন্তু সেই চিকিৎসার কোথাও গুলের কোনো ভূমিকা নেই।

গুল এক ধরনের নেশাকারী ক্ষতিকারক পদার্থ। তাই দাঁতের মাড়িতে এটি ব্যবহার করলে মাড়ির ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা উপশম হলেও প্রকৃতপক্ষে রোগের কোনো চিকিৎসাই হয় না। উপরন্তু দীর্ঘদিন গুল ব্যবহারে মুখের ক্যান্সারও হতে পারে। তাছাড়া গুল মুখে ধূমপানের মতোই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে বলে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। কাজেই মিথ্যা ধারণার বশবর্তী হয়ে দাঁতে গুল ব্যবহার করবেন না।

দাঁতের ব্যথার জন্য কিংবা দাঁতের গোড়া নরম হয়ে গেলে শিক্ষিত দন্ত্মচিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা করান। দেখবেন দাঁতের যন্ত্রণা লাঘব হয়েছে। গুল ব্যবহারের ভুল সিদ্ধান্ত্ম পরিহার করে মুখগহ্বরের ক্ষতি থেকে নিজেকে রক্ষা করম্নন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেয়া হলে তা মস্তিষ্কের টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং জ্ঞানের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। যার বিরূপ প্রভাব বয়ে বেড়াতে হয় জীবনভর।

মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণে স্কুলে পড়ুয়া শিশুদের বুদ্ধিমত্তা এবং স্মরণশক্তির সমস্যায় ভোগা ছাড়াও পরীক্ষায় ভালভাবে উত্তীর্ণ হতে না পারা কিংবা অন্যান্য স্নায়বিক আচরণগত সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বিশ্বে শহুরে জীবনযাত্রা যতই বাড়তে থাকবে ততই দূষণ বাড়বে। এ থেকে কোনও সুরক্ষা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বা দূষণ কমানোর পদক্ষেপ না নিলে সামনের দিনগুলোতে আরও অনেক শিশু মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে প্রতিবেদনে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার শিশুরাই বায়ুদূষণের ক্ষতির শিকার হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বায়ুদূষণ আন্তর্জাতিক মাত্রার চেয়ে ছয় গুণ বেশি।

দক্ষিণ এশিয়ায় ১ কোটি ২০ লাখ শিশু বাস করে। আর পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ৪০ লাখ শিশু বায়ুদূষণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য