দিনাজপুর সংবাদাতাঃ পার্বতীপুরের ৭ বছরের শিশু শ্রেনীর ছাত্রী কারিমা আক্তার লুনা ৪ দিন পরে আজ সোমবার ভোরে কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার থেতরা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশর্^বর্তী জনৈক মনসুর আলীর বাড়ী থেকে উদ্ধার হয়েছে।

উদ্ধার কাজে যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে পার্বতীপুর ও উলিপুর পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে অপহরনকারী মহিলা নুরজাহানকে আটক করে পার্বতীপুর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সহযোগীদের ধরতে চলছে পুলিশী সাড়াশি অভিযান ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রমতে, শিশুটির বাড়ী দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামে। পিতার নাম কামরুজ্জামান দুলাল (৩৮)। গত শুক্রবার রাত ২ টায় দাদী আছমা খাতুন ও বড়বোন কামরুন নেছার পাশে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুটিকে অপহরন করা হয়। এই কাজের জন্য অপহরনকারী মহিলা নূরজাহান তাদের ঘরের খাটের নীচে ২ দিন আগে থেকে আত্মগোপন করে ছিল।

শিশুটিকে ট্রেন ও বাসযোগে ঘটনাস্থল কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার দুর্গম চরাঞ্চলে ঐ বাড়ীতে আটকে রাখা হয়েছিল | দুর্বৃত্তরা মোবাইল করে দাবী করে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ । অন্যথায় শিশুটিকে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয় । এর পরেই শিশুর পিতা স্থানীয় পার্বতীপুর মডেল থানায় সংবাদ জানিয়ে সাহায্য কামনা করেন।

মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে অপহরনকারীর অবস্থান নিশ্চিত হয় পুলিশ। জানা গেছে অপহরনকারী নুরজাহানের বাড়ী পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামে । স্বামীর নাম হানিফুল ইসলাম । সে (নুরজাহান ) আত্মীয়তা ও পূর্ব পরিচয়ের সূত্রধরে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি করে। যোগাযোগ করলে পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি হাবিবুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য