শীতের সকালে এক মগ গরম কফি যেমন দেয় উষ্ণ আমেজ তেমনি এই ঠা-া আবহাওয়ায় ত্বক কোমল ও মসৃণ রাখে কফি।
কী কারণে শীতকালে কফি ত্বকের জন্য ভালো জানাচ্ছেন ‘আভোন ইন্ডিয়া’র প্রধান প্রশিক্ষক নিতু প্রাশের।

* শুধু সকালে চাঙা বোধ করাতেই নয়, কফির মধ্যে এমন কিছু উপাদান আছে যা প্রাকৃতিকভাবেই ত্বক করে উজ্জ্বল।

* এক্সফলিয়েট এবং উজ্জ্বল করার গুণের জন্য রূপচর্চার বিভিন্ন পণ্যতেই কফি ব্যবহার করা হয়। শুধু তাই নয়, কফির নির্যাস সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির কারণে অনিষ্ট ত্বকে আনে নবযৌবন।

* কফির গুঁড়া মধুর সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে শরীরে ব্যবহার করা যায়। যা মরা চামড়া দূর করে ত্বক রাখ আর্দ্র।

* ফোলা চোখ বা চোখের নিচে ‘ব্যাগ’য়ের মতো ঝুলে থাকা চামড়া সারিয়ে তুলতে ব্যবহার করা যায় কফি। এরজন্য তরল কফি জমিয়ে বরফ করে সেটা হালকাভাবে চোখের উপর থেকে নিচে ঘষতে হবে। এতে ফোলাভাব কমার পাশাপাশি দেবে আরামদায়ক অনুভূতি। এ ছাড়া চোখের আশপাশে লালচেভাবও কমাবে।

কফি ব্যবহার করে ত্বকে দীপ্তি ফেরানোর পন্থা দিয়েছেন জার্মানির প্রিমিয়াম স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড ‘মালু উইলজ’য়ের প্রধান প্রশিক্ষক স্টেফানি শেডেল।

ফেইশল এক্সফলিয়েইশন
উদ্ভিজ্জ তেল ৩ চামচ (কাঠবাদাম বা আঙুরের দানা কিংবা অলিভ অয়েল) এর সঙ্গে ৩ চামচ কফির গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক হবে কোমল ও নমনীয়। বাড়তি ফলাফল পেতে এই মিশ্রণের সঙ্গে মেশাতে পারেন অ্যাভোকাডোর নির্যাস।

চোখের মাস্ক
চোখের ক্লান্তি ও কালোভাব দূর করতে লাগবে- ৫ চা-চামচ হালকা গরম করা কফির গুঁড়া, ১ চা-চামচ মধু, ১ চা-চামচ অলিভ অয়েল।

এগুলো তালুতে মিশিয়ে নিন। দরকার হলে আরও একটু মধু নিতে পারেন। তারপর বন্ধ চোখে মেখে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ছবি: রয়টার্স।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য