ভারতের আসাম রাজ্যে ট্রেনের ধাক্কায় ৫টি পূর্ণবয়স্ক ও একটি বাচ্চা হাতির মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে গুয়াহাটি-নাহারলাগুন এক্সপ্রেসের ধাক্কায় হাতিগুলো নিহত হয় বলে ভারতীয় রেলওয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে।

হাতির পালটি ওই সময় রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করছিল।

আসামের সোনিতপুর জেলার বালিপাড়াতে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে; এই এলাকাটি হাতিদের চলাচলের পথ হিসেবে পরিচিত।

প্রকাশিত বিভিন্ন ছবিতে মৃত হাতিগুলোর চারপাশে স্থানীয়দের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

সাম্প্রতিক সময়ে আসামে মানুষ ও বণ্যপ্রাণীর মধ্যে সংঘর্ষের মাত্রা বৃদ্ধিতে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিয়োজিত সংস্থাগুলোর উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে। ২০১৩ থেকে ২০১৬-র মধ্যে আসামে প্রায় ১৪০টি হাতির ‘অস্বাভাবিক’ মৃত্যু হয়েছে।

এনডিটিভি বলছে, বিরাট এলাকার বন ধ্বংস করে একের পর এক গ্রাম তৈরি করায় স্বাভাবিক বাসস্থান হারাচ্ছে হাতিরা, এতে তাদের জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ডের এক কর্মকর্তা জানান, সোনিতপুরের প্রায় ৭০ ভাগ বন উজাড় হওয়ায় হাতির পাল প্রায়ই গ্রামগুলোতে ঢুকে পড়ছে।

আসামে যে প্রজাতির হাতি পাওয়া যায়, সেই এশিয়ান এলিফ্যান্টকে ‘বিপন্ন’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) ।

২০১১ সালের শুমারিতে আসামে ৫ হাজার ৬২০টি হাতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য