মোঃ লিহাজ উদ্দীন মানিক, বোদা (পঞ্চগড়) থেকেঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাসিনুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত কারার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, এমটি (ইপিআই) ডালিম কুমার বর্মন ডাঃ মোঃ হাসিনুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে জনৈক ললিত কুমার বর্মনকে স্বেচ্ছাসেবক (ইপিআই) দেখিয়ে এর মাধ্যমে হাম রোগীর স্যাম্পল গুলো জনস্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট, মহাখালী, ঢাকা হতে সরকারি অর্থ আত্মসাত করে আসছেন।

ললিত কুমার বর্মন উক্ত হাসপাতালের নিযুক্ত কোন স্বেচ্ছাসেবক (ইপিআই) নয়। ডালিম কুমার বর্মন তাকে ভুয়া স্বেচ্ছাসেবক (ইপিআই) দেখিয়ে তার সাথে যোগসাযোস করে ভুয়া হাম রোগের স্যাম্পল নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি টাকা উত্তোলন করে ভাগ বাটোয়ারা করে আসছেন।

গত ২০ নভেম্বর তারিখে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তাকে ডাঃ মুকিম (এসআইএমও) মোবাইলে ফোন করে স্যাম্পল হাম রোগের সিরিয়াল ৩২১৯৪, রোগী আব্দুর রাজ্জাক, সিরিয়াল ৩২২৫৬-৫, রোগী রবিন চন্দ্র রায়, সিরিয়াল ৩২২৯৯-৫, রোগী জয় বর্মন ও সিরিয়াল ৩২৩২৮-৫, রোগী সন্তোষ কুমারের হাম রোগীর স্যাম্পল গুলোর সমন্ধে জানান।

হাম রোগের স্যাম্পল এখান থেকে পাঠানো হয়নি মর্মে ডাঃ মোঃ হাসিনুর রহমান ন্যাশনাল পোলিও এন্ড মিজেলস ল্যাবরেটরী জনস্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট, মহাখালী ঢাকাকে জানিয়ে দেন। পরে জানতে পারেণ, এমটি (ইপিআই) ডালিম কুমার বর্মন ভুয়া স্যাম্পলগুলো পাঠিয়ে আসছিলেন। এ ব্যাপারে এমটি (ইপিআই) ডালিম কুমার বর্মন বলেন, অন্যান্যের প্ররোচনায় নিয়ম বর্হিভুত ভাবে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছি। জেলা ইপিআর সুপারিণটেনডেন্ট পঞ্চগড় ও এমটি ইপিআর আটোয়ারী পঞ্চগড় এর সম্মুখে ভুল স্বীকার করে উত্তোলিত অর্থ ঢাকায় ফেরত দেয়ার জন্য অফিসে জমা দেই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য