আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট থেকে: লালমনিরহাটে ভারতীয় বিলুপ্ত ছিটমহলে অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগে জমির মালিকানার মাঝে চুরান্ত খতিয়ান বিতরণ স্থগিত করা হয়েছে।মঙ্গলবার পাটগ্রাম উপজেলার অধুনালুপ্ত ছিটমহল মমিনপুরে জমির সর্বশেষ প্রকাশনা চুরান্ত খতিয়ান বিতরণ করতে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন। এসময় ১০৮৮টি খতিয়ান বিতরন বন্ধ করে দেন এবং জরুরী ভিত্তিতে সংশোধনের জন্য সংশিষ্টদের নির্দেশ দেন।

অধুনালুপ্ত ছিটমহলের লোকজন সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের কাছে জমির স্বত্বলিপি তৈরীতে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ করেন। ফলে ৬৮ বছর পর জমির মালিকানা পেলেও ভুলে ভরা স্বত্বলিপি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অধুনালুপ্ত ছিটমহলের লোকজন।

ওই স্বত্বলিপি পেলে ছিটমহলের লোকজন তাদের জমির মালিকানার পাশাপাশি জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ পাবে। এর আগে পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারগনকে এসব ভুলে কারণ দেখে দায়ী করে বলেন, যে ভুল করে জমির মালিকনকে আজ খতিয়ান দেওয়া হচ্ছে তা কোন ভাবে মেনে নেওয়া যায় না। গত কয়কটি ছিটমহলে এই খতিয়ান বিতরন করেছে তা আমারা কেউ জানি না।

এরা কিভবে বিতরণ করলেন খতিয়ান বা জমির কাগজ পত্র। শেষ বিতরন আমাদের ডেকে শুধু অপমান করা হয়নি! ৬৮ বছরের বন্ধিদশার মানুষদের সাথে একটি গেম খেলেছে সেটেলমেন্ট অফিসাররা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভুমি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আব্দুর রফিক, পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল, নির্বাহী অফিসার নুর কুতুবুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান শফি কামাল টারজান, পৌরসভা মেয়র শমসের আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম নাজু।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুর কুতুবুল আলম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জরুরী ভিত্তিতে সংশোধনের জন্য সংশিষ্টদের নির্দেশ দেন। সংশোধনের পর স্বত্বলিপি অধুনালুপ্ত ছিটমহলের লোকজনের মাঝে বিতরণ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য