আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেৎপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম নামের জনৈক ব্যক্তি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্বেও স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪৫ বছরেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। তাই জরুরী ভিত্তিতে তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই সাপেক্ষে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রকাশ, গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেৎপুর গ্রামের মৃত. নজিজল হক মন্ডলের পুত্র মোঃ রবিউল হোসেন ১১ নং সেক্টরের আওতায় এনামুল সুবেদারের অধীনে রাজিবপুর হাইস্কুল মাঠে আদম আলী ও আবু তাহেরের নিকট প্রশিক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে সম্মুখ যুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৭২ সালের ১২ এপ্রিল তারিখে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক মহম্মদ আতাউল গনী ওসমানী স্বাক্ষরিত একটি স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র পেয়েছেন।

এছাড়াও ১৯৭৪ সালের ২৩ আগষ্ট তারিখে তৎকালীন ৮নং মনোহরপুর ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ খয়রাজ্জামান মন্ডল কর্তৃক তার তার ইউনিয়নের ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকা তৈরী করেন। সেই তালিকায় তার নাম ৬নং এ রয়েছে। পরবর্তিতে ২০১৩ইং সালের ৩ মার্চ তারিখে তার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য অন লাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন কিন্তু অধ্যাবধী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার নাম সরকারী গেজেটভুক্ত হয়নি। ফলে অসহায় রবিউল ইসলাম পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

তিনি জানান, অন লাইনে আবেদনে তিনি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডারের প্রত্যয়নপত্রসহ তিন জন সহ মুক্তিযোদ্ধার নাম সংযুক্ত করেছেন, তারা হলেন- এখলাছ আলী প্রধান, নুর মোহাম্মদ সাইম কাজী ও শেখ ফরিদ আহমেদ। ফাইলটি সম্প্রতি উপজেলা পর্যায়ে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য