ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর ঘোড়ঘাটে সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মানের দাবি এলাকাবাসীর। ঘোড়াঘাট উপজেলার কশিগাড়ি গ্রামের হাইদার আলী পুত্র মোঃ রফিকুল ইসলামের “আইন” বিচারক ও সংসদ বিষয়া মন্ত্রী , মহাপরিদর্শক নিবন্ধন ঢাকা জেলার সশস্ত্র বাহিনির পক্ষে এম এফ আর ও রংপুর জেলা রেজিস্টার বরাবর আবেদন করেছেন। প্রেরিত আবেদনের ও এলাকাবাসির সৃত্রে জানা যায়।

প্রায় ২৬ বছর পুর্বে জনকল্যাওণর উদ্দেশ্যে উপজেলার মধ্যেবতি স্থান হিসেবে তৎকালিন উপজেলার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের পরামর্শে সাবরেজিস্ট্রী অফিসের নামে ভবন নির্মানের জন্য নিজস্ব জমি কশিগাড়ী মৌজার জে এল নং ৫৭, খতিয়ান-৪৯৭, দাগ নং ৪৩৬ এর মধ্যে হইতে .৫০ শতক জমি সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের নামে দান পত্র দলিল সম্পাদন করে দেন। যার দলিল নং ২৫১২ তারিখ ১৭/১২/৯২ ইং।

এ জমি সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের পক্ষ হইতে চলমান রেকর্ডভুত্তি সহ নামজারি ও সন-সন খাজনা পরিশোদ করে আছেন। অপর দিকে উপজেলার চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর মৌজার নজির হোসেন খানের পুত্র সাব্বির আলী খান সেনাবাহিনীর নামীয় সরকারী বরাদ্ধের জমি নিজ নামে সৃষ্ট দলিল প্রক্ষিতে চলিত সালের একটি দানপত্র দলিল করে দেন যার দলির নং ২৯৬৮/১৭ সম্পাদন দেখানো হচ্ছে।

বতর্মানে উক্ত অবৈদ্য দলিলের প্রেক্ষিতে তরিঘড়ি করে খারিজ সম্পাদন প্রক্রিয়া চলছে বলে অফিসের একটি সৃত্রে জানা গেছে। আইনত সেনাবাহিনীর নামে সরকারী বরাদ্ধের জমি হস্তান্তর যোগ্য নহে। এছাড়াও চলমান জমি চলমান জরিপে রেকর্ডভুক্তি হয়নি। এ জমি সংক্রান্ত একটি মামলা (দিনাজপুর) আদালতে চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

রফিকুল ইসলাম আরও জানায় ১৯৭১ সালে বরাদ দিয়ে সাব্বির আলী খান গংদের সৃষ্টি দলিলটি নকল, ভলিয়ম জেলা উপজেলাতে পাওয়া যায়নি। সেহেতু সেনাবাহিনীর নামে বরাদ্দকৃত জমি ভুয়া দলিল সৃষ্টি করে আতৎসাতের অপচেষ্ঠা চালাছেন। ইতোপুর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়েছে। ২৬ বছর পুর্বে জনকল্যান রফিকুললের দান পত্রের নিজস্ব জমিতে ঘোড়াঘাট সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের ভবন নির্মানের দাবি এখন গনদাবিতে পরিনত হয়ে চলছে। বিষয়টি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য