হতাশা, দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা আমাদের মনের ওপরে চাপ ফেলে। সারাক্ষণ মানসিক অস্থিরতার মাঝে থাকলে মাথাব্যথা হবেই, এটা স্বাভাবিক। অনেকের আবার উচ্চ শব্দ, যানবাহনের তীব্র হর্ন, উজ্জ্বল আলো, দীর্ঘ ভ্রমণের কারণেও ব্যথা হয় মাথায়।
মাথাব্যথা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন ওষুধ ছাড়াই। জেনে নিন কীভাবে:

– দুশ্চিন্তা কমাতে হবে, পেশাগত মানসিক চাপ ঘরে বয়ে আনা যাবে না

– মনকে বিশ্রাম দিন, ঘরে ফিরে পরিবারের সঙ্গে একান্ত কিছু সময় কাটান

– বিশ্রাম নিন পর্যাপ্ত। গবেষকেরা দেখেছেন ঠিকমতো ঘুম না হলে অনেকেরই মাথায় ব্যথা হতে পারে পরের দিন

– কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা ঘুম দরকার পূর্ণবয়স্ক মানুষের। ঘুমের আগে ভারী কাজ করবেন না, ঠা-া পানিতে শরীর ধুয়ে ফেলুন, স্নিগ্ধ মনে বিছানায় যান। অন্ধকার শব্দহীন ঘরে একটা আরামের ঘুম দিন, পরের দিন মাথাব্যথা থাকবে না

– কিছু খাবারের বদনাম রয়েছে মাথাব্যথার প্রভাবক হিসেবে। চা কফিতে অভ্যস্ত থাকলেও মাত্রাতিরিক্ত পান করবেন না। দিনে এক বা দুই কাপ যথেষ্ট

– মাথা মালিশে আরাম পান সকলেই। দেখা গিয়েছে মাথাব্যথায় কোমল হাতে কপালে, মাথায়, ঘাড়ে হাল্কা মালিশ দারুণ কাজ করে।

– ধূমপান ও ধূমপায়ী থেকে দূরে থাকুন

– পছন্দের গান শুনতে পারেন যা মনকে শান্ত করবে

– যোগব্যায়াম অনেক ভালো কাজে দেয়, লম্বা করে গভীর শ্বাস নিন, আস্তে করে ছেড়ে দিন। পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন, ছেড়ে দিন। ধীরে ধীরে এমন শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে সাথে মন শান্ত হয়ে আসে, সঙ্গে মাথাব্যথাও কমতে থাকে।

– চাইনিজ পদ্ধতি আকুপ্রেশার বা আকুপাংচার করেন কেউ কেউ, এটা অনেকের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং তর্জনির মাঝখানের অংশে চাপ দিন এবং ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। আবার একইভাবে বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনি দিয়ে চাপ দিন এবং ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন।

– একনাগাড়ে মনিটর, টিভির দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। মাঝ এমাঝে বিরতি নিন, যারা টানা বই পড়েন তাদের জন্যও একই পরামর্শ

– পেটে ক্ষুধা নিয়ে কাজ করলে সহজেই মাথাব্যথা হয়। তাই খাবারে অবহেলা চলবে না

ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে মাথাব্যথায় ইচ্ছেমতো ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য