ইন্দোনেশিয়ার বালির আগুং পর্বতে অগ্নুৎপাতের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় আগ্নেয়গিরির চারপাশে বিপদসীমার ব্যপ্তি বাড়ানো হয়েছে।

এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

এদিকে বালি’র বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে আটকা পড়েছেন দ্বীপটিতে ভ্রমণরত হাজারো পর্যটক।

পর্বত বেয়ে নেমে আসা পাথর এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে দূরে থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। পর্বতের চূড়ার প্রায় ৩,৪০০ মিটার (১১,১৫০ ফুট) উপর পর্যন্ত কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বোর্ড সোমবার ভোরে চতুর্থ মাত্রার এই সতর্কতা জারি করে। আগ্নেয়গিরি থেকে বারবার ভস্ম নির্গত হতে দেখা গেছে। সাথে দুর্বল বিস্ফোরণের শব্দও শুনতে পাওয়া গেছে।

 

ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ তাঁদের ফেইসবুক পেইজে এক বিবৃতিতে জানায়, “পর্বতের চূড়ায় সারারাতই অগ্নিস্ফূরণ দেখা গেছে। এটি বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের পূর্বাভাস।”

আগ্নেয়গিরির চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সাময়িক আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন ২৫ হাজার মানুষ। আর গত কয়েকমাসে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ স্থানান্তরিত হয়েছেন।

কুতা এবং সেমিনিয়াক অঞ্চলের মূল পর্যটন কেন্দ্র আগ্নেয়গিরির চেয়ে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বিপদসীমার বাইরে রয়েছে।

তবে আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমাগত ভস্ম নির্গত হওয়ার কারণে সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বালির এনগুরা রাই বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

পার্শ্ববর্তী দ্বীপ লোম্বকের বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলেও সোমবার পুনরায় চালু করা হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য