বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতাঃ বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামে সৎ মায়ের অত্যাচারে এক কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে। রোববার (২৬ নভেঃ) সকালে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার ও সন্দেহভাজন সৎ মাকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে।

জানা গেছে, কাটলা ইউনিয়নের দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামের সাইদুর রহমান ঢাকায় রিক্সা চালান। বাড়িতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানরা রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রীর দুই পুত্রের মধ্যে একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ও একজন কাটলা বাজারে অন্যের দোকানের কর্মচারী হিসাবে কাজ করে। প্রথম পক্ষের দুই পুত্রকে সৎমা নার্গিস বেগম বাড়িতে উঠতে দিতনা। শনিবার দোকান থেকে ছুটি নিয়ে সাইদুরের প্রথম পক্ষের পুত্র জামিরুল ইসলাম (১৫) বাড়িতে যায়।

এসময় সৎ মা নার্গিস বেগম তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। প্রতিবেশিরা জানান, রাত ৯টার দিকে জামিরুল আবারো বাড়িতে গেলে বিত-ার সৃষ্টি হয়। পরে সৎ মা প্রতিবেশিদের বলে যে, জামিরুল গলায় চাদর পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। প্রতিবেশিরা জামিরুলের লাশ উদ্ধার ও সন্দেহ ভাজন ঘাতক নার্গিস বেগমকে আটক করেন।

সকালে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার ও সন্দেহভাজন সৎ মাকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। নার্গিস বলে যে, জামিরুল আত্মহত্যা করেছে। প্রতিবেশিরা বলছেন, জামিরুলকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য লাশটি দিনাজপুর মর্গে পাঠিয়েছে।

বিরামপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ.এস.এম হাফিজুর রহমান আজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, কিশোর মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের লক্ষ্যে বিষয়টির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য