‘বলিউডের ভাইজান’ সালমান খান আজ যে অবস্থানে আছেন, তাতে তাঁর ‘না’ বলা কঠিন। সেটি কোনো নতুন শিল্পীর ক্ষেত্রেই হোক বা কোনো পরিচালককে। বলিউডে অনেকেই সালমানকে গুরু মানেন। সালমান না করলে তাঁরা সেই কাজ ভুলেও করেন না। কিন্তু বাস্তব জীবনে সালমান কেবল একজনের সব কথা শোনেন। কখনোই তাঁকে ‘না’ বলতে পারেন না। তিনি কে? আর কেউ নন, সালমানের বাবা চিত্রনাট্যকার সেলিম খান।

সালমানের বয়স ৫০ পেরিয়ে গেছে। কিন্তু বাবার সামনে ছেলে যেন এখনো স্কুলের বালক। সব বিষয়ে সাল্লুর তাঁর বাবার মত নেওয়া চাই। কোনো কাজে বাবা সেলিম খানের আপত্তি থাকলে সালমান আর সেদিকে ফিরেও তাকান না। এমনকি কোনো ছবির চিত্রনাট্য হাতে এলে বাবার সঙ্গে আলোচনা করে নেন। আর সব সময় ছেলে সালমানের সিনেমার প্রথম দর্শক হন তাঁর বাবা সেলিম খান।

তিন ছেলে সোহেল খান, সালমান খান ও আরবাজ খানের সঙ্গে সেলিম খান। তবে খান পরিবারে শুধু সালমান নন, তাঁরা সব ভাইবোনই বাবাকে খুবই শ্রদ্ধা করেন। তাঁদের পরিবারে বাবার সিদ্ধান্তই সব। খান পরিবারে আজ পর্যন্ত সেলিম খানের অমতে কেউ কোনো কাজ করেননি। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে সালমান খান বলেন, তিনি সন্তানের বাবা হতে চান।

কারণ, সালমানের মা-বাবা বড় ছেলে সালমানের সন্তান দেখে যেতে চান। সংসারী হওয়ার ইচ্ছে না থাকলেও কেবল অভিভাবকদের ইচ্ছার প্রাধান্য দিয়েই বাবা হওয়ার কথা ভাবছেন সালমান। বলিউডের অনেক নায়ক যখন আলাদা বাসায় থাকেন, সেখানে সালমান এত বড় তারকা হওয়া সত্ত্বেও মা-বাবা থেকে আলাদা হননি। সালমান বলেন, মা-বাবার থেকে দূরে থাকা তাঁর পক্ষে অসম্ভব।

প্রতিবছর বাবা সেলিম খানের জন্মদিন বিশেষভাবে উদ্যাপন করেন সালমান আর তাঁর ভাইবোন। গত শুক্রবার ছিল সেলিম খানের ৮১তম জন্মদিন। পরিবারের সবাই ও ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মিলে সালমান খানদের বাড়ি গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে ঘরোয়া এক পার্টির আয়োজন করে। ফিল্মি বিট

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য