দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার সড়ক মহাসড়কে যান চলাচলে আইনের বিধান কার্যকর না হওয়ায় কম বয়সীদের হাতে যানবাহন তুলে দেওয়া হচ্ছে। এভাবে হর-হামেসাতেই নানা ধরণের যানবাহন চলছে উপজেলার সব ক’টি রুটে। বিশেষ করে অটো সিএনজি মটরসাইকেল, ভটভটি, নসিমন, করিমন ও জমি চাষে ব্যবহৃত ট্রাক্টরগুলি।

ফলে সড়ক-মহাসড়কগুলি এখন যেন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে পরিণত হয়েছে। কাহারোল উপজেলায় ৫০-এর অধিক ট্রলি বা ট্রাক্টর রয়েছে। এসব যানবাহনগুলির অধিকাংশই ১৮ থেকে ২০ বছরের যুবকরাই চালিয়ে থাকছে। তারা প্রতিদিন এক প্রান্ত হতে গিয়ে বালি, ইট, পাথরসহ নানা ধরণের মালামাল পরিবহন করছে। দিন দিন ট্রাক্টরের সংখ্যা বেশী হওয়ায় কিছুদিন ড্রাইভারের সঙ্গে চলাফেরা করেই নিজের হাতে স্ট্যায়ারিং হাতে তুলে নেয়।

জীবন জীবিকার যুদ্ধে নেমে তারা আইনের কোন তোয়াক্কা করছে না। এদিকে জমি চাষে ব্যবহৃত যানগুলি দিয়ে দূর দূরান্ত হতে ভাটা হতে ইট নিয়ে গ্রাম-গ্রামাঞ্চলে ডুকছে। কাহারোল উপজেলায় এখন অটোসহ ব্যাটারী চালিত রিক্সা ও ভ্যানে ভরে গেছে। এ ধরণের যানবাহনে প্রতিদিন বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি। সবচেয়ে রাস্তা পারাপার রিক্স হয়ে পড়েছে। কাহারোল বাজারে বাইপাশ রাস্তা না থাকায় শহরটিতে ঝুঁকি বাড়ছে।

সবদিকে অটো আর অটো সাথে অটো রিক্সা ও ভ্যান। শহরটি কর্ম চাঞ্চল্য হওয়ার সাথে সাথেই এসব যানে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এছাড়া বড় বড় ট্রাক শহরকে ব্যস্ত করে রেখেছে। কাহারোল উপজেলায় ধান, গম, ভুট্টা, আম, লিচুভরা মৌসুমে দেশের দূর দূরান্তের চিটাগাং, সিলেট, মৌলভীবাজার, ফেনী, খুলনা, যশোর, নওগাঁ, চাপাইনবাবগঞ্জসহ নানা প্রান্তের বড় বড় দশ চাক্কাসহ সব ধরণের গাড়ী প্রবেশ করে শত শত।

এসব গাড়ীতে ধান, গম, ভুট্টা, আম, লিচুসহ মালামাল কেরিং করা হয়। কাহারোল উপজেলায় উন্নত মানের ফসল উৎপাদন হয় সেই কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা তাদের নিজ এলাকায় ট্রাক যোগে মালামাল নিয়ে যায়। এদিকে বড় বড় ট্রাক এসব সড়কের উপর অবস্থান করায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের সড়কগুলি বেহাল অবস্থা হয়ে পড়ছে। বিষয়টি হাইওয়ে পুলিশের নজরদারির কথা থাকলেও তারা যেন রহস্যজনকভাবে নীরবতা পালন করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য