নীলফামারীর ডিমলায় একটি অসহায় পরিবারের প্রতিবন্ধি অন্ত:সত্বা হওয়ার ঘটনায় পরিবারটি এখন চরম বিপাকে পরেছে । উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের খালুয়া পাড়া গ্রামের মৃত ওমুদ্দীন এর কন্যা প্রতিবন্ধি। মৃত ওমুদ্দীন বাড়ীতে গিয়ে কথা হয় তার মায়ের সাথে। মেয়ে পারভীন আক্তার (২০) প্রতিবন্ধি।

প্রতিবন্ধি পারভীন আক্তারের সরলতার সুযোগে একই গ্রামের জনৈক্য যুবকের দ্বারা ধর্ষনের শিকার হলে সে অন্ত:সত্বা হয়ে পড়ে পারভীন আক্তার এ কথা কাউকেই বলেনি। কিন্তু দিনের পর দিন শারীরিক গঠনের পরিবর্তন দেখা দিলে তার এলাকাবাসী তার গঠন দেখে বলেন, আমাদের জ্ঞানামতে প্রতিবন্ধি পারভীন অন্তত ৪/৫ মাসের অন্ত:সত্বা। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে বিপাকে পড়ে প্রতিবন্ধি পরিবারটি। এখন কি করা যায় ? কি করা উচিত ? কোন কুল কিনারা খুঁজে পাচ্ছে না পরিবারটি।

প্রতিবন্ধি মেয়েটি অন্ত:সত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। ফলে প্রতিদিনেই পরিবারটির বাড়ীতে শত শত উৎসুক জনতা ভীর করছে। এবং এ ঘটনার ঘৃনা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এলাকাবাসী। এলাকাবাসীরা সাংবাদিকদের জানান কিন্তু তার স্বামী মোঃ আঃ কাদের (গাঠু) প্রায় ১ বছর যাবৎ ঢাকায় আছে আবার কেউ বলছে জেলে আছে,আবার কেউ বলছে তার তো অপারেশন কার তার দ্বারা কোন বাচ্চা জন্ম দেওয়া সম্ভব নয়।

সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে অসহায় প্রতিবন্ধি শুধুই কাঁদছে। এর বিচার হওয়া উচিত। দোষী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করে তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। পারভীন খেয়ে না খেয়ে পড়ে আছে বাবার বাড়ীতে। সারাদিন বাড়ীতে বসে শুধুই অঝরে কাঁদে, বলছে এলাকাবাসী। এখন আর উৎসুক জনতাকে বাড়ীতে ঢুকতে দিচ্ছে না তার মা মোছাঃ আহেলা ও তার মামা ইব্ররাহিম। এদিকে প্রতিবন্ধি পারভীন শুধুই দেখে। কাউকে কোন কথা বলছে দিচ্ছে না পরিবারটি।

মানসিক বিপর্য়য়ে পড়া পারভীন দিন কাটছে শুধুই কান্না দিয়ে। চরম বিপাকে পড়া পরিবারটির প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে নিয়ে এখন অসহায় জীবন যাপন করেছ। এ বিষয়ে ঐ এলাকার সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য শ্রী প্রদীপ কুমার রায় এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আমার পারিবারিক কাজে একটু বাইরে আছি। আমি বাড়ীতে ফিরে খোঁজখবর নিব।

ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি আমার কানে আসে নাই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য