কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বেড়ে চলেছে বাল্যবিবাহ। আইন থাকলেও প্রয়োগ হচ্ছে না, সচেতন হচ্ছে না মানুষ।

চলতি বছর অনুৃষ্ঠিত জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুস্থিত ছাত্রীদের অধিকাংশেরই বিয়ে হয়েছে। বিবাহজনিত কারণে ২৯জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

জানা গেছে, থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২৫ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ২৮জনের মধ্যে ২০জন মেয়ে।

থানাহাট এ, ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৮‘শ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ১৭জনের মধ্যে ৯জন মেয়ে। রাজারভিটা ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৪‘শ ৩৬জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অপুস্থিত ৪৫জন।

এর মধ্যে মধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮ জন। ফকিরেরহাট উচ্চ বিদালয়ে ১ জন, বালাবাড়ী হাট বিএল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন, শরীফের হাট এম, ইউ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১জন, থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২জন, দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল এন্ড কলেজে ৩জন, চিলমারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২জন, বজরাতবকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২জন, নটারকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২জন, অধিকারীপাড়া নিু মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২ জন, বালাবাড়ী হাট আই এম এস ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার ১জন, কাঁচকোল খামার সখিনা দাখিল মাদ্রাসার ২জন, রাণীগঞ্জ কাচারী দাখিল মাদ্রাসার ৪জন, সোনারীপাড়া মীম-ছীন বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ১জন ও মাচাবান্দা বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৪জন পরীক্ষার্থী বিয়ের কারণে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, দারিদ্রতার কারণে এসব শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়ে গেছে। তবে বিয়ে আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগণ জানালে আমরা সম্মিলিত ভাবেক বিয়ে বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারতাম বলে তিনি জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য